Bangladesh Internet Club

***Well Come to all Friends Bangladesh Internet Club***

শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৩

how to create a blog post in blogger

After create new blogger blog then you can ready for publishing but you are not know how to create a new blog post and know any about options of  blogger, so this article is help to you step by step. Blogger is very simple to use for any new blogger. You can befor read how can you create a new blogger blog and then you are ready for blog posting after read this article.First you go in blogger.com and you can see this step
 Blogging
Click on your Blog title and you go on your blog Dashboard.
Now see above options:
New Post: You can create a new blog post.
Overview: See above image on overview screen.
Pages: You can create a new page or edit page setting and contents.
Comments: You can see all comments on your blog and moderate waiting comments. You can stop publish all comments without your permission.
Google+: You can attach your blog with google id and automatic share your new publish post on your google+ id.
Stats: You can see your blog status on worldwide with full information.
Earning: You can add your blog with google Adsense and earn money with your blog.
Layout: You can cgane your blog layout with this option.
Template: You can change your blog design/template setting or add new blog template.
Setting: You can change all blog settings as basic setting, search engine setting and more
Now Click on New post and create a new blog post (ee below Image)
Learn options with number wise
How to Create New Blog post in Blogger Read Tips in Hindi
How to Create New Blog post in Blogger Read Tips in Hindi
1-     Write your blog post title
2-     Publish after create new post
3-     Save your post (automatic saving feature)
4-     See your blog post preview before posting
5-     You can cancel post option and back on overview screen.
6-     You see your blog post on compose mode
7-     You can see your blog post on HTML code
8-     You can use Redo and Undo option as M.S. W. Word. Notepad, word pad etc
9-     You can change font and font size.
10-Change your text in heading or normal text. as M.S. W. Word
11-You can use Bold, Italic, Underline, strikethrough options as as M.S. W. Word
12-You can change text color and text backgroung color as M.S. W. Word
13-You can add Links, Images, Videos on your post and break post
14-You can set alignment of text (as left, center, right) Bullets and numbering, tabs, check spellings and translate your text in some languages
15-You can set Lable for your blog posts
16-You can set schedule of your blog post (automatic set and you too)
17-You can change your blog post link.
18-You can choose locations for your blog post (automatic set and you too)
19-You can see and change some blog post options. (automatic set and you too)
20-Your work area.
অনেক পোস্ট দেখি যে, কোন স্কিল নেই, তারা ওডেস্কে কাজ করতে আগ্রহি।

আসলে অনেকের ধারনা ওডেস্ক এ গেলে ই কাজ করা যাবে। যারা নতুন নিজের দক্ষতা কে যে ওডেস্কে ব্যাবহার করে কাজ করতে হবে, তা অনেকেই জানেন না। আর অনেকে ওডেস্কে একাউন্ট করে বেশ কিছুদিন গুতাগুতি করে এসে পোস্ট দেন যে এখন কি করা যাবে? কিভাবে কাজ করবে?

কি কাজ জানেন?
কাজ তো জানি না।
তো কিভাবে কাজ করবেন?
ওডেস্ক দিয়ে।

ওডেস্ক হচ্ছে একটা মার্কেট প্লেস। এখানে জব পাওয়া যাবে , জব দেয়া যাবে।

যেমন অনেকে বিডি জবস এর সাথে পরিচিত। যেখানে বাংলাদেশের অনেক কাজ পাওয়া যায়। কোম্পানি গুলো অনেক জব পোস্ট করে । ওডেস্ক তেমনি। কিন্তু এর মান অনেক উন্নত - আন্তর্জাতিক। আর সারা পৃথিবীর অনেক বড় বড় কোম্পানি ও এখানে জব পোস্ট করে। তাই অবশ্যই আপনার দক্ষতা থাকতে হবে - এবং যদি হয় আন্তর্জাতিক মানের - তবে আপনি বেশ ভালো করতে পারবেন।

কারন সারা পৃথিবী থেকে বেশ বড় বড় কোম্পানি জব পোস্ট করে আর একি ভাবে আন্তর্জাতিক মানের কনট্রাক্টর রা কাজের জন্য বিড করে বা এপ্লাই করে।

তো আশা করি বুঝতে পারছেন আপনি কোন না কোন স্কিল তৈরি করতে হবে। যেমন ওয়েব ডেভেলপার, একাউন্টিং, গ্রাফিক ডিজাইন, ইমেইল মার্কেটিং ইত্যাদি।

আসলে হ্যাঁ। এমন অনেক অনেক কাজ আছে যা আমরা জানি ই না। ইন্টারনেট আসার পর থেকে ওয়েব বেসড অনেক কাজ তৈরি হয়েছে। আরো হবে। বাংলাদেশে এস ই ও বা গ্রাফিক ডিজাইন ইত্যাদি এখন খুব প্রচলিত। আপনি করতে পারেন। কিন্তু যদি নতুন ধরনের কাজ চান, তবে একটু খুজুন। অনেক ভালো স্কিল আছে যার চাহিদা অনেক।

কি কি স্কিল?
১। ওয়েব ডেভেলপার
২। ওয়েব ডিজাইনার
৩। মোবাইল এপ্পপ্লিকেশন ডেভেলপ
৪। এন্ড্রয়েড এপ্পপ্লিকেশন ডেভেলপ
৫। Social Media Marketing
৬। ইমেইল মার্কেটিং
৭। গ্রাফিক ডিজাইন
৮। ওয়েব রিসারস
৯। সফটওয়্যার ডেভেলপিং
১০। রাইটিং
১১। কাস্টমার সাপোর্ট
১২। ভারটুয়াল পি এস
এবং আরো অনেক।

অনেক স্কিল এর ডিমান্ড বেশি (অর্থাৎ ইনকাম বেশি) । কিন্তু তা বেশ সময় দিয়ে শিখতে হয়। ধৈর্যের কিছু পরীক্ষা দিতে হয়। আর কিছু সহজে হয়তো শেখা যাবে কিন্তু চাহিদা কম আর থাকলেও বেশ কম্পিটিশন। কারন এটা সহজ (যেমন ডাটা এন্ট্রি) ।

এবার আপনি সিদ্ধান্ত নিন কি শিখতে চান। সিনিয়ার দের সাথে কন্সাল্ট করুন।

আর এরপর জা লাগবে -
১। ইংরেজির দক্ষতা - অন্তত লিখে যেন মনের ভাব প্রকাশ করতে পারেন এবং পোস্ট দেখে বুঝতে পারেন যে কি লিখা হয়েছে। ব্যাকরণের কিছু ভুল হলে প্রব নেই তবে না হলেই বেটার। আর ভালো হলে তো কথাই নেই। ফিলিপাইন উঠে এসেছে এই কারনেই। ইংরেজীতে দক্ষতা কাজ শেখার সময় লাগবে, আর কাজ শিখে আয় করার সময় তো লাগবেই। তাই এর জন্য ও আপনাকে প্রস্তুত হতে হবে।
২। আপনার নিজের পি সি / ইন্টারনেট

স্কিল বাড়ানোর কোন বয়স নেই। তবে হ্যাঁ। যখন আপনি মার্কেট প্লেস গুলো তে কাজ করতে যাবেন, আপনার বয়স হতে হবে ১৮+।

পাশাপাশি একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার আছে।
আগামি বছরের ভেতর শুনেছি ৬০% ফ্রিলেন্সার যারা বেশ সহজ কাজ গুলো করেন - ঝরে জাবেন। আর কিছু করবেন ধুকে ধুকে। যারা ভালো স্কিল নিয়ে কাজ করছেন, তারা কাজ করে জাবেন দাপটের সাথে।
তথ্য প্রযুক্তির স্রোত বেশ পরিবর্তন শীল। যেমন আগামি বছরের ভেতর এন্ড্রেয়েড এর ইউজার হবে ১ বিলিয়ন।

তাই এখন সময় এসে গেছে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতে নিজেকে সামনে নিয়ে যাবার।
ভালো স্কিল ডেভেলপ করতে হয়তো একটু বেশি সময় যাবে, একটু কস্ট হবে - কিন্তু ফল পাবেন সুদুর প্রসারি। আপনার আজকের পদক্ষেপ - ভবিষ্যতের আপনি।

কে কে মাছ ধরেছেন গ্রামের পুকুরে


কে কে মাছ ধরেছেন গ্রামের পুকুরে? আপডেট তবে জেনে রাখুন , আপনি যেখানেই পোর্টফোলিও করুন - সেখানে যেন আপনার কন্টাক্ট ইনফরমেশন না থাকে। এই লিঙ্ক কভার লেটার এ ব্যাবহার করলে আপনার সমস্যা হতে পারেন ওডেস্ক। এটা পলিসি ভায়োলেশন। -------------------------------------------------------------------- আচ্ছা বলেন তো টোপ ছাড়া মাছ ধরা যায়? বড়শি ফেলে বসে রইলেন, আর ওদিকে বড়শির মাথায় নাই টোপ - ক্লায়েন্ট ধরবেন কিভাবে? টোপ টা কি??? পোর্টফলিও। খুবই লোভনীয়। কভার লেটার এ ইতিহাস চায় না ক্লায়েনট...চায় দেখতে সে কেমন কাজের কাজী। বুঝিয়ে দিন একটা মাত্র লিঙ্ক দিয়ে। লিঙ্ক এ ক্লিক করা মাত্র আপনি মাছ ধরে ফেলেছেন, জাস্ট টেনে তুলুন...তবে হে, আগডুম বাগডুম পোর্টফলিও র কথা বলছি না, বলছি সাজানো গোছানো ছিমছাম - দুর্দান্ত একটা প্রফেশনাল পোর্টফলিওর কথা। কি কি দিতে পারেন? Project এর নাম দিন। কাজের ছবি দিন। আপনার কাজ বর্ণনা করুন Point wise. oDesk এ যে ফিডব্যাক পেয়েছেন, তার URL দিন। কাজের ending time দিন। আরো দিতে পারেন - আপনার কাজের রেট, বোনাস, ফিডব্যাক কমেন্টস। তো কিভাবে করবেন, আর কভার লেটার এ তা দেবেন? আপনি কোন একটা জায়গায় আপনার কাজ গুলো সাজিয়ে রাখুন। নিজের একটা ওয়েব সাইট হলে তো খুব ই ভালো।না হলে ব্লগ হতে পারে। এটা একদম ফ্রি। না হলে অন্তত কোন একটা ফাইল শেয়ারিং সাইট এ। তবে মনে রাখবেন, ওখানে যেন কোন আপনার কন্টাক্ট ইনফ/ইমেইল ইত্যাদি না থাকে। এটা ওডেস্কের policy violation. ব্লগ তৈরি করা অনেক সহজ। এই যে দেখুন এখানে। ৫ মিনিট লাগবে আপনার - http://www.youtube.com/watch?v=JXiJ6jY3qB4 এটা একদম ফ্রি। এছাড়াও আপনি এখানেও করতে পারেন - http://www.viewbook.com/tour/ ৩০ দিন ফ্রি। এছাড়া অনলাইনে বেশ কিছু সাইট আছে যেখানে পোর্ট ফোলিও রাখা যায়। আপনাকে ওয়েব সাইট বানাতে হবে না। এখানে রাখতে পারেন। পোর্টফলিও আপলোড করার সাইট ১- http://www.portfoliopen.com/ ২-http://foliohd.com/ ৩- https://www.coroflot.com/signup ৪-http://shownd.com/ মাছ ধরুন পোর্টফলিও দিয়ে - বুঝলেন তো?

বুধবার, ১ আগস্ট, ২০১২

*** html শেখার উপায় : অধ্যায় ৮

googleb74d12566e23c282

আমি আজকে আলোচনা  করব html -এর Form নিয়ে ।এটি অত্যান্ত গুরুত্বপূ্র্ণ বিষয় কেননা পিএইচপি -তে এটি বেশী ব্যবহৃত হয় ।একেও ক্ষেত্র বিশেষে সার্ভার সাইট স্কীপটিং বলা হয়ে থাকে । আমার আগের পোস্ট গুলো না দেখে থাকলে নিচে লিংক দেওয়া আছে ওখান থেকে দেখে নেবেন ।

Form:-

Form- ট্যাগটির সাহায্যে পেজ থেকে কোন প্রকার ডেটা  সরাসরি ডেটাবেসে প্রবেশ করান যায় । Form-টি অনেক গুলি Attributes -এর সাহায্য নিয়ে কাজ করে । form-এর প্রাথমিক গঠন হল <form>………</form> -এরকম ।এই ট্যাগটির দুটি গুরুত্বপূর্ণ Attribute হল method,action ।এছাড়াও কত গুলি ট্যাগ ফ্রম ট্যাগের অধীনে কাজ করে । নিচের ছকে কত গুলি উদাহরণ দেখান হল ।
Attributes-এর নামমানকাজ
inputনির্দিষ্ট নয়নির্দিষ্ট নয়
typetextপেজে লেখার স্হান তৈরী করা
textareaname,rows,colsপেজে লেখার স্হান তৈরী করা
typesubmitপেজে বটন তৈরী করে
typeradioঠিক চিহ্ন দেবার বাক্স তৈরী করে
typepasswordপাসওয়ার্ড দেবার বাক্স তৈরী করে
typecheckboxনির্বাচন-বাক্স তৈরী করে
typefileআপলোড বাক্স তৈরী করে
selectoptionক্রম অনুযায়ী নির্বাচন-বাক্স তৈরী করে
typeresetডেটা পুনরায় নতুন করে দেবার জন্য
১.Text field:-
পেজে কোন লেখার স্হান তেরী করতে এটি ব্যবহার করা হয় । ঠিক যেমন টা আপনি নিচে মন্তব্য বাক্সে দেখতে পারছেন । এর প্রাথমিক গঠন
ইনপুট কোডব্রাউজারে আউটপুট
<form>
<input type="text">
</form>
12 html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ৮
text field-এর মধ্যে অনেক গুলি  Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
ইনপুট কোডব্রাউজারে আউটপুট
<form method="post" action="mailto:kaktadua@tunerpage.com">
নাম: <input type="text" size="10" maxlength="40" name="name" id="name">
</form>
2 html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ৮
২.Multi-line text:-
এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় textarea ট্যাগটি ।এর মধ্যে অনেক গুলি  Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
ইনপুট কোডব্রাউজারে আউটপুট
<textarea name="suggestions" rows="5" cols="25">আপনার মতামত</textarea>
৩.Submit field:-
পেজে বটন তৈরী করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি  Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
ইনপুট কোডব্রাউজারে আউটপুট
<form method="post" action="anyphpfile.php">
<input type="submit" value="submit" id="প্রদান"/>
</form>
4 html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ৮
৪.Radio field:-
পেজে ঠিক চিহ্ন দেবার বাক্স তৈরী করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি  Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
ইনপুট কোডব্রাউজারে আউটপুট
<form method="post" action="anyphpfile.php">
আমার টিউন গুলি আপনাদের কেমন লাগল ?
<p><input type="radio" name="rating" value="excellent">ব্যপক !!! <br/>
<input type="radio" name="rating" value="good">ভাল  <br/>
<input type="radio" name="rating" value="bad">ভাল না   <br/>
<input type="radio" name="rating" value="verybad">খুব খারাপ <br/>
</p>
</form>
51 html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ৮
৫.Password field:-
পেজে পাসওয়ার্ড দেবার বাক্স তৈরী করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি  Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
ইনপুট কোডব্রাউজারে আউটপুট
<form>
গোপন সংখ্যা : <input type="password" name="pwd" maxlength="8" />
</form>
63 html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ৮
৬.Checkbox field:-
পেজে নির্বাচন-বাক্স তৈরী করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি  Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
ইনপুট কোডব্রাউজারে আউটপুট
<form method="post" action="anyphpfile.php">
আপনার কি আমার সাহায্য প্রয়োজন  ?
<input type="checkbox" name="sendmail" value="send"
 checked="checked" />হ্যা ,আমার সাহায্য প্রয়োজন </br>
<input type="checkbox" name="sendmail" 
value="dontsend"  /> না,আমার সাহায্য প্রয়োজন নেই</br>
<input type="checkbox" name="nxttime"  />পরে দেখা যাবে
</form>
3 html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ৮
৭.File upload field:-
পেজে আপলোড বাক্স তৈরী করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি  Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
ইনপুট কোডব্রাউজারে আউটপুট
<form method="post" action="anyphpfile.php">
<input type="hidden" name="max_file_size" value="100" />
<input name="file" type="file" />
</form>
63 html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ৮
৮. Selection field:-
পেজে ক্রম অনুযায়ী নির্বাচন-বাক্স তৈরী করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি  Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
ইনপুট কোডব্রাউজারে আউটপুট
<form method="post" action="mailto:kaktadua@tunerpage.com">
বাংলা সাইট গুলোর মধ্যে আপনি যা যা পরিদর্শন করেছেন
<select multiple name="music" size="4">
<option value="tunerpage" selected>TunerPage</option>
<option value="techtunes" >Techtunes</option>
<option value="techtweets" >Techtweets</option>
<option value="BDnews24 " >BD news 24 </option>
<option value="Prothom Alo  " >Prothom Alo  </option>
<option value="Ananda Bazar " >Ananda Bazar </option>
<option value="Kaler kantho " >Kaler kantho </option>
</select>
</form>
9 html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ৮
৯.Reset button:-
আমরা পেজে যে সমস্ত ডেটা দিলাম তা পুনরায় নতুন করে দেবার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি  Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
ইনপুট কোডব্রাউজারে আউটপুট
<form actiion="somefile.php" onReset="return confirm
('আপনি কি সব তথ্য মুছে আবার নতুন করে দিতে রাজি আছেন ?')">
<input type="reset" value="সব তথ্য রিসেট করব">
</form>
71 html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ৮
আজ এ-পর্যন্তই ।ধন্যবাদ
 ভাল থাকুন নিজে আর ভাল রাখুন অপরকে…।

Lesson 1 Learn HTML


আমার আজকের অলোচ্য বিষয় হল  html-এর Table  ট্যাগ ।
***Table Tag:-
ওয়েবপেজের মধ্যে কোন ছক বা Table তৈরি করতে ব্যবহার হয় এই ট্যাগটি ।Table Tag-টি <tr> Tag-এর মাধ্যমে ছকের মধ্যে সারি(row) এবং <td> Tag-এর মাধ্যমে ছকের মধ্যে স্তম্ভ(Column or Cell) তৈরি করে । টেবিল ট্যাগটিতে কতগুলি বিশেষ Attributes-ও ব্যবহার করা যায় ।Attributes গুলি হল border,cellspacing,cellpadding ইত্যাদি ।

**এর প্রাথমিক গঠন
ইনপুট কোডব্রাউজারে আউটপুট
<table border=”2″>
<tr><td>১ম সারি,১ম স্তম্ভ </td><td>১ম সারি,২য় স্তম্ভ </td><td>১ম সারি,৩য় স্তম্ভ </td></tr>
<tr><td>২য় সারি,১ম স্তম্ভ </td><td>২য় সারি,২য় স্তম্ভ </td><td>২য় সারি,৩য় স্তম্ভ </td></tr>
</table>
১ম সারি,১ম স্তম্ভ১ম সারি,২য় স্তম্ভ১ম সারি,৩য় স্তম্ভ
২য় সারি,১ম স্তম্ভ২য় সারি,২য় স্তম্ভ২য় সারি,৩য় স্তম্ভ
border,cellspacing,cellpadding Attributes-গুলির মান হয় কোন একটি পূর্ণাঙ্গ গানিতিক মান ।border Attribute-টি ছকের বহিঃরেখা নির্দেশ করে ।cellspacing আর cellpadding Attribute-দুটি ছক-মধ্যস্হ লেখার মধ্যে ব্যবধান তৈরি করে ।এছাড়াও  <td> tag-টির জন্য কিছু বিশেষ Attributes আছে ।যেমন  rowspan,colspan । rowspan Attribute-টি সারিকে সংকুচিত করে আর colspan Attribute-টি স্তম্ভকে সংকুচিত করে ।ছকের মধ্যে কোন লেখাকে শিরোনাম হিসেবে ব্যবহার করার জন্য সেই সারির <td> গুলিকে <th> লিখতে হয় ।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে tr-এর অর্থ  Table Row, td-এর অর্থ Table Data, th-এর অর্থ Table Heading ।
যেমন
ইনপুট কোডব্রাউজারে আউটপুট
<table border=”1″ cellspacing=”3″ cellpadding=”4″>
<tr><th bgcolor=”red”>১ম স্তম্ভ</th><th>২য় স্তম্ভ</th><th>৩য় স্তম্ভ</th></tr>
<tr><td rowspan=”2″>১ম সারি, ১ম স্তম্ভ</td><td>১ম সারি,২য় স্তম্ভ</td><td>১ম সারি, ৩য় স্তম্ভ</td></tr>
<tr><td>২য় সারি,২য় স্তম্ভ</td><td>২য় সারি, ৩য় স্তম্ভ</td></tr>
<tr bgcolor=”green”><td colspan=”3″> ৩য় সারি, ১ম স্তম্ভ</td></tr></table>
১ম স্তম্ভ২য় স্তম্ভ৩য় স্তম্ভ
১ম সারি, ১ম স্তম্ভ১ম সারি,২য় স্তম্ভ১ম সারি, ৩য় স্তম্ভ
২য় সারি,২য় স্তম্ভ২য় সারি, ৩য় স্তম্ভ
৩য় সারি, ১ম স্তম্ভ

নিচের উদাহরণটি নিজে করার চেষ্টা করুন
facebook logo square webtreatsetc html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ৭google logo html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ৭
yahoo logo2 html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ৭
bing logo html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ৭

আজ এ-পর্যন্তই ।ধন্যবাদ ভাল থাকুন নিজে আর ভাল রাখুন অপরকে…।

Learn HTML Lesson 2

googleb74d12566e23c282
আজকে আমি আলোচনা করব Html-এর Link এবং Image  সম্পর্কে ।

*** Html Link:-

ওয়েব পেজের মধ্যে কোন লিংক যোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয় Html Link । Html Link হিসেবে যে-কোন টেক্সস্ট বা ছবি ব্যবহৃত হয়ে থাকে । তবে লিংক বলে কোন ট্যাগ নেই ।ওয়েব পেজে যেকোন Link যোগ করার জন্য <a> ট্যাগ এবং এই ট্যাগের একটি Attribute, href ব্যবহৃত হয় ।<a> ট্যাগের link সংক্রান্ত আরও একটি Attribute হল target । href Attribute-টির ধরন রেফারেন্সের উপর ভিত্তি করে তিন রকমের হয়ে থাকে ।যে কোন সর্ভারে তিন ধরনের রেফারেন্স থাকে এগুলি হল ১.ইন্টারনাল -একই ওয়েব পেজে বিদ্যমান, ২.লোকাল -নিজস্ব ডোমেইনে বিদ্যমান, ৩.গ্লোবাল -অন্য কোন স্হানে বিদ্যমান ।ইন্টারনাল রেফারেন্সের ক্ষেত্রে href Attribute-টির মান হবে href=”#কককককক”-এই ধরনের,লোকাল রেফারেন্সের ক্ষেত্রে href Attribute-টির মান হবে href=”../খখখখ/খখখখখখখ”-এই ধরনের, আর গ্লোবাল রেফারেন্সের ক্ষেত্রে href Attribute-টির মান হবে href=”http://www.xxxxxx.xxx”-এই ধরনের । সার্বিকভাবে গ্লোবাল রেফারেন্সটিই বহুল ব্যবহৃত ।

1.Text Link:-

এর গঠন  <a href=”http://www.xxxx.xxx”>yyyyy</a> -এই রকমের হয় ।এখানে www.xxxx.xxx -এর মান হবে আপনি যে লিংকটি যোগ করতে চাচ্ছেন তার URL এবং yyyyy -এর মান হবে আপনি যে নামে লিংকটিকে ওয়েব পেজে দেখাতে চান বা  সেটি ।<a> ট্যাগের link সংক্রান্ত আরও একটি Attribute হল target ।target Attribute-এর মান _blank, _parent, _self, _top এই চারটি হয় । target=”_blank” Attribute-টি ব্রাউজারের নতুন উইন্ডোতে নতুন পেজে আপনার প্রদত্ত লিংকটি প্রকাশ করবে ।target=”_self” Attribute-টি ব্রাউজারের বর্তমান উইন্ডোতে নতুন পেজে আপনার প্রদত্ত লিংকটি প্রকাশ করবে ।অধিকাংশ C.M.S-র মধ্যে এটি ডিফল্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।  target=”_parent” Attribute-টি ব্রাউজারের বর্তমান উইন্ডোতে নতুন পেজে আপনার প্রদত্ত লিংকটি প্রকাশ করবে । target=”_top” Attribute-টি সমস্ত ফ্রেম বাতিল করে ব্রাউজারের বর্তমান উইন্ডোতে নতুন পেজে আপনার প্রদত্ত লিংকটি প্রকাশ করবে ।
যেমন
inputব্রাউজারে output
স্বাগতম <a href=”http://www.themore.cz.cc” target=”_blank”>মোর কুঁড়েঘরে</a>
স্বাগতম <a href=”http://www.themore.cz.cc” target=”_self”>মোর কুঁড়েঘরে</a>
স্বাগতম <a href=”http://www.themore.cz.cc” target=”_parent”>মোর কুঁড়েঘরে</a>
স্বাগতম <a href=”http://www.themore.cz.cc” target=”_top”>মোর কুঁড়েঘরে</a>
স্বাগতম মোর কুঁড়েঘরে
স্বাগতম মোর কুঁড়েঘরে
স্বাগতম মোর কুঁড়েঘরে
স্বাগতম মোর কুঁড়েঘরে

2.Image Link:-

গঠন Text Link-এর মতই কেবল yyyyy-এর মান কোন Text-এর পরিবর্তে যে ছবিটি ওয়েব লিংক হিসেবে ব্যবহার করতে চান তার লিংক বা অবস্হান লিখতে হবে ।
যেমন
inputব্রাউজারে output
<a href=”http://www.tunerpage.com” target=”_blank”><img src=”http://www.tunerpage.com/uploads/2011/07/ert.png”/></a>

3.Internal Link:-

একই পেজের মধ্যে উপর থেকে নিচে বা নিচ থেকে উপরে কোথাও যাবার জন্য এই লিংকটি ব্যবহার করা হয় ।এক্ষেত্রে আমাদের করণীয় কাজ দুটি ।প্রথমে যে টেক্সস্টটিকে লিংকের আউটপুটের ফলাফল হিসেবে ব্যবহার করা হবে তাতে <a> ট্যাগের name Attribute টি ব্যবহার করা করতে হবে ।দ্বিতীয়ত আউটপুটে প্রদর্শিত টেক্সটিতে  <a> ট্যাগের href Attribute টি ব্যবহার করা করতে হবে ।অর্থাত্‍ এরকম হবে  xxxxxxxx<a name=”yyyy”></a> (১ম টি) ,<a href=”#yyyy”>zzzzz</a> (২য় টি) ।
যেমন
inputব্রাউজারে output
Html Link:-<a name=”about_link”></a>
Learn About<a href=”#about_link”>Html Link</a>
Learn About 
Html Link

4.Email Link:-

কোন বৈ-ডাকের ঠিকানাকে ওয়েবপেজে তুলে ধরতে ব্যবহার করা হয় Email Link । এর গঠন  <a href=”mailto:xxxxxx@xxxxxx.xxx”>yyyyyy</a> । এর আউটপুটের yyyyyy-তে ক্লিক করলে আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল থাকা মেইল সার্ভারটি xxxxxx@xxxxxx.xxx ঠিকানায় একটি মেইল পাঠাবার জন্য প্রস্তুত হবে ।
যেমন
inputব্রাউজারে output
সাহায্যের জন্য <a href=”mailto:tunerpage@hotmail.com”>এখানে</a> মেইল করুন ।সাহায্যের জন্য এখানে মেইল করুন ।

Html Image:-

ওয়েবপেজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ছবি।পেজের মধ্যে যত ভাল ছবি বা ব্যানার থাকবে পরিদর্শক তত বেশি আকর্ষিত হবে।ওয়েব পেজের মধ্যে কোন ছবি যোগ করতে ব্যবহৃত হয় img ট্যাগ আর src  Attribute । src Attribute টির মান হয় যে ছবিটি ওয়েবপেজে প্রকাশ করতে চান তার অবস্হান ।এর গঠন <img src=”http://www.xxxxxx.xxx/xxxxx/xxxx.jpg”/> । লক্ষ্য করুন img ট্যাগটির সমাপ্তকরণ সূচক নেই ।img ট্যাগটির আরও কয়েকটি Attribute হল alt,align,valign,width,height । নেটওয়ার্কের কারনে ছবিটি প্রদর্শিত না হলে alt Attribute লেখা টেক্সটটি প্রদর্শিত হবে ।align Attribute-টির মান right,left,center-এই তিনটি,valign Attribute-টির মান top,bottom,center-এই তিনটি হয় । align ও valign Attribute দুটি দিয়ে ছবির প্রকাশের অবস্হান ঠিক করা হয় ।width ও height Attribute দুটি দিয়ে ছবির দৈর্ঘ্য ও প্রস্হ নির্দিষ্ট করা হয় ।Attribute দুটির মান হয় পূর্নাঙ্গ কোন গানিতিক সংখ্যা ।
যেমন
inputব্রাউজারে output
<img src=”http://www.tunerpage.com/uploads/2011/07/ert.png” alt=”tunerpage” align=”right” width=”250″ height=”150″/>


আজ এ-পর্যন্তই ।

***html শেখার উপায় :: অধ্যায় ৫

googleb74d12566e23c282
আমার আজকের আলোচনার বিষয় হল html -এর Colour code এবং Bgcolor ।

Colour code:-

সব রঙই কিছু কথা বলে তাইতো রঙের মধ্যেও রয়েছে ভিন্নতা । html-এর মধ্যে রঙের এই বিভন্নতা প্রকাশ করা হয় কালার কোড দিয়ে ।ব্যাকগ্রাউন্ডের রঙ থেকে ফন্টের রঙ সবই পরিবর্তন করা যায় তিনটি কালার কোডিং সিস্টেমের দ্বারা ।এই তিনটি কালার কোডিং সিস্টেম হল যথাক্রমে ১.সাধারণ নাম দিয়ে ,যেমন:- black,white,red,blue,green ২.হেক্সাডেসিমেল নম্বর দ্বারা, যেমন:- #000000,#FFFFFF,#FF0000,#0000FF,#00FF00 ৩.rgb পদ্ধতি দ্বারা ,যেমন:- rgb(0,0,0),rgb(255,255,255),rgb(255,০,০),rgb(০,255,০),rgb(০,০,255) ।এই তিন ধরনের রঙ বর্ননার পদ্ধতি থাকলেও ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিন্তু মূলত ব্যবহার হয় হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিটিই ।সাধারণ নামের পদ্ধতিটিও ক্ষেত্র বিশেষে ব্যবহৃত হয়ে থাকে ।আর rgb পদ্ধতিতে ব্যবহৃত রঙ অনেক ব্রাউজারে প্রদর্শিত হয় না বলে বহুল ব্যবহৃত নয় ।নিচে তিনটি পদ্ধতি আলোচনা করা হল ।

১.সাধারণ নাম দিয়ে:-

এটির ক্ষেত্রে জানার কিছুই নেই আমরা যে নামে বিভিন্ন রঙকে জানি তাই এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় ।

২.হেক্সাডেসিমেল নম্বর দ্বারা:-

এর গঠন #RRGGBB অর্থাত্‍ # চিহ্নের পর তিন জোড়া হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা যার প্রথম জোড়া লাল রঙের গাঢ়ত্ব,২য় জোড়া সবুজ রঙের গাঢ়ত্ব,৩য় জোড়া নীল রঙের গাঢ়ত্ব প্রকাশ করে ।আমরা তো অনেকেই ডেসিমেল আর হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি গনিতে শিখেছি,আর না শেখা থাকলে নিচে দেওয়া ছকটি দেখুন ।
ডেসিমেল123456789101112131415
হেক্সাডেসিমেল123456789ABCDEF
অর্থাত্‍ ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির 10 হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে A -এর সমান এবং অনুরূপে 11,12,13,14,15 যথাক্রমে B,C,D,E,F -এর সমান ।হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ মান F পর্যন্ত হতে পারে । এখন হেক্সাডেসিমেল নম্বরের দ্বারা ওয়েব পেজে লাল রঙ ব্যবহার করতে হলে প্রথম জোড়া হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার মান সর্বোচ্চ অর্থাত্‍ F হতে হবে বাকি দুই জোড়া হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার মান সর্বনিম্ন অর্থাত্‍ ০ হতে হবে তাই হেক্সাডেসিমেল নম্বরে লাল রঙের কোড হবে #FF0000 অনুরূপে সবুজ আর নীল রঙের ক্ষেত্রেও হবে ।

৩.rgb পদ্ধতি দ্বারা:-

এর গঠন rgb(r,g,b) অর্থাত্‍ rgb(লাল রঙের গাঢ়ত্ব,সবুজ রঙের গাঢ়ত্ব,নীল রঙের গাঢ়ত্ব) ।এখানে r-এর মান 0 থেকে 255 পর্যন্ত যেকোন একটি সংখ্যা হয়ে থাকে অনুরূপে g এবং b-এর মানও হয় ।rgb পদ্ধতি দ্বারা ওয়েব পেজে লাল রঙ ব্যবহার করতে হলে r-এর মান সর্বোচ্চ অর্থাত্‍ 255 হতে হবে এবং g ও b-এর মান সর্বনিম্ন অর্থাত্‍ ০ হতে হবে তাই rgb পদ্ধতিতে লাল রঙের কোড হবে rgb(255,০,০) অনুরূপে সবুজ আর নীল রঙের ক্ষেত্রেও হবে ।

rgb পদ্ধতি এবং হেক্সাডেসিমেল নম্বর পদ্ধতির মধ্যে সম্পর্ক:-

হেক্সাডেসিমেল নম্বর পদ্ধতির যেকোন রঙকে খুব সহজেই rgb পদ্ধতিতে রূপান্তরিত করা সম্ভব ।এক্ষেত্রে #RRGGBB=rgb(R*16+R,G*16+G,B*16+B) উদাহরণ সরূপ লাল রঙের ক্ষেত্রে #FF0000=rgb(F*16+F,0*16+0,0*16+0)=rgb(15*16+15,0,0)=rgb(255,0,0)
নিচের ছকে ২টি রঙ পদ্ধতির উদাহরণ দেওয়া হল
colorchart html শেখার সহজ উপায়  : অধ্যায় ৫

Bgcolor:-


এটি কোন ট্যাগ নয় এটি একটি Attribute । এটি body,font,table,td,tr ইত্যাদি ট্যাগ গুলির মধ্যে বসে ।এই Attribute-এর = পরে কোটেশনের মধ্যে কালার কোডিংয়ের মান বসে ।অর্থাত্‍ এরকম <body Bgcolor=”#FF0000″> … </body>

%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%A1 html শেখার সহজ উপায়  : অধ্যায় ৫


ভাল থাকুন নিজে আর ভাল রাখুন অপরকে…।

** html শেখার উপায় :: অধ্যায় ৪

googleb74d12566e23c282
আজকে আমি আলোচনা করব html-এর font আর list  নিয়ে ।

***Html font:-

ওয়েব পেজের font বা হরফের বিভিন্ন রকম স্টাইল প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহৃত হয় Html font । ফন্টের গঠন <font> … </font> এই রকমের হয় ।তবে ফন্ট ট্যাগটি একাই কিছু করতে পারে না এজন্য তাকে সাহায্য করে থাকে কয়েকটি Attribute ।ফন্ট ট্যাগটি এবং Attribute গুলি নিয়ন্ত্রন করা যায় হরফের আকার ,বর্ন(রং) এবং হরফের ধরণ । নিচের ছকে ফন্ট ট্যাগের কয়েকটি প্রয়োজোনীয় Attribute দেখান হল ।
Attribute(-র নাম)মানকাজের বর্ননা
colorrgb(x,x,x)[যেমন rgb(102,204,51)]
#xxxxxx (যেমন  #66cc33)
colorname (যেমন green)
হরফের রং পরিবর্তন করতে ব্যবহৃত হয়
size1 থেকে 7 পর্যন্ত যে কোন পূর্ন গানিতিক মান
(যেমন 4)
হরফের আকার পরিবর্তন করতে  ব্যবহৃত হয়
faceহরফ গোষ্ঠির নাম
(যেমন  SolaimanLipi)
হরফের ধরণ  পরিবর্তন করতে  ব্যবহৃত হয়
rgb(x,x,x),#xxxxxx সম্পর্কে পরে বিস্তারিত আলোচনা করব ।
যেভাবে লিখবেন
প্রথমে ফন্ট ট্যাগটি লিখে ফেলুন এরপর সূচনাকারি ট্যাগ অর্থাত্‍   <font>-এর মধ্যে Attribute-র নাম লিখে সমান চিহ্ন দিয়ে কোটেশন(“) চিহ্নের মধ্যে রাখুন Attribute-র মানটিকে
অর্থাত্‍  এরকম  হবে <font size=”3″ color=”red”> বিষয়বস্তু</font>

Html list:-

ওয়েব পেজে লেখার মধ্যে তালিকা করার সময় প্রয়োজন হয় list ট্যাগের ।তিন ধরনের Html list বিদ্যমান যথা ordered list,unordered list,definition list  ।
Ordered list:-
ordered list শুরু হয় <ol> ট্যাগ দিয়ে শেষ হয় </ol> ট্যাগ দিয়ে ।এর দুটি Attribute আছে , type আর start এই দুটি ।type Attribute-এর মান a,A,i,I,1 এই পাঁচটি হতে পারে ।start Attribute-এর মান type Attribute-এর উপর নির্ভর করে ।যদি type Attribute-এর মান a বা A হয় তবে start Attribute-এর মান a থেকে z পর্যন্ত যে কোন অক্ষর বা 1 থেকে 26 পর্যন্ত যে কোন পূর্ন গানিতিক সংখ্যা হতে পারে ।যদি type Attribute-এর মান i,I বা 1 হয় তবে start Attribute-এর মান যে কোন পূর্ন গানিতিক সংখ্যা হতে পারে ।
এর গঠন    নিচের কাঠামোর হয় ।
<ol type="1" start="1">
<h3>টপ টিজে </h3>
    <li>পুদিনা পাতা</li>
    <li>অনির্বাচিত টিউনার</li>
    <li>সার্ভার কুইন</li>
    <li>বান্দা_ ইখতিয়!র </li>
</ol>
Unordered list:-
unordered list শুরু হয় <ul> ট্যাগ দিয়ে শেষ হয় </ul> ট্যাগ দিয়ে ।এর শুধু type Attribute আছে , type  Attribute-এর মান square,circle বা dics ইত্যাদি হয়ে থাকে ।
এর গঠন নিচের কাঠামোর হয়
<ul type="circle" ><h3>টপ টিজে </h3>
    <li>পুদিনা পাতা</li>
     <li>অনির্বাচিত টিউনার</li>
     <li>সার্ভার কুইন</li>
     <li>বান্দা_ ইখতিয়!র </li></ul>
**Definition list:-
Definition list এর ব্যবহার সাধারনত অভিধানে দেখা যায়।definition list শুরু হয় <dl> ট্যাগ দিয়ে শেষ হয় </dl> ট্যাগ দিয়ে ।<dl> tag ব্যাবহার করে Definition list তৈরী করা হয়। যাকে Define  করতে চাই তাকে bold আকারে দেখানো দরকার। Definition list tag এর মধ্যে আরও দুটি tag অর্ন্তভুক্ত সেগুলো হলো <dt> আর <dd> ।এর গঠন
<dl>
<dt><b>Rose</b></dt>
<dd>Rose is a pink coloured sweet smelled flower</dd>
<dt><b>William Shakespeare</b></dt>
<dd>William Shakespeare is one of the greatest writer.he said in his
 "Romeo and Juliet", "What's in a name? That which we call 
a rose by any other name would smell as sweet". - (Act II, Scene II).</dd>
</dt>

html11 html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ৪অনুশীলন করুন :-
আজকের অলোচিত বিষয় গুলো সম্পর্কে ধারনা পরিস্কার করতে পাশের প্রদত্ত ছবিতে দেওয়া কোডগুলি নোডপ্যাডে লিখুন । লেখা শেষে নথিটিকে যেকোন নাম দিয়ে .html ফরম্যাট দিয়ে সংরক্ষণ করুন ।এবার সংরক্ষিত html নথিটিকে ক্লিক করে ব্রাউজারে খুলুন ।আমি এখানে notepad++ ব্যবহার করছি ।

বিশ্লেষণ:-
উপরের ছবিতে দেওয়া কোড গুলিতে আজকে আলোচিত বিষয়গুলো লক্ষ্য করুন ।
  • ছয় নং লাইন থেকে নয় নং লাইনে Font ট্যাগ ব্যবহৃত হয়েছে ।
  • ১০ নং লাইন থেকে ১৬ নং লাইনে ব্যবহৃত হয়েছে ordered list ট্যাগ ।
  • ১৭ নং লাইন থেকে ২২ নং লাইনে ব্যবহৃত হয়েছে unordered list ট্যাগ ।
  • ২৩ নং লাইন থেকে ২৮ নং লাইনে ব্যবহৃত হয়েছে Definition list ট্যাগ ।
html1output html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ৪
ব্রাউজারে আউটপুট
আজ এ-পর্যন্তই ।ধন্যবাদ ভাল থাকুন নিজে আর ভাল রাখুন অপরকে…।

*** html শেখার উপায় :: অধ্যায় ৩

googleb74d12566e23c282
আজকে আমি আলোচনা করব html-এর Comments, Heading এবং Formatting Tags নিয়ে ।বিষয় গুলো খুবই মজার একটু ভালভাবে দেখলেই বুঝতে পারবেন ।

HTML Comments:-

Comments বা মন্তব্য হল সেইসব বাক্য বা বাক্যাংশ যা html পেজের গঠনগত কোন কাজে ব্যবহৃত হয় না কিন্তু সাহায্য করে ।কমান্ট শুরু হয় “<!–”-এই চিহ্ন দিয়ে আর শেষ হয় “–>”-চিহ্ন দিয়ে অর্থাত্‍ “<!–” চিহ্ন আর “–>” চিহ্নের মাঝে থাকে মন্তব্যটি ।
**প্রয়োজোনীয়তা
  • কোন  কাজ, কোড বা স্কীপটকে পেজের মধ্যে মনে রাখার জন্য ।
  • পেজের মধ্যে কোন কাজকে অসম্পূর্ণ রাখে পরে শেষ করার জন্য ।

**HTML Heading:-

ওয়েব পেজের কোন বাক্য বা বাক্যাংশকে শিরোণাম হিসেবে ব্যবহার করার জন্য এই HTML Heading ট্যাগটি ব্যবহৃত হয় ।ওয়ার্ডপ্রেসের যেকোন ব্লগে পোস্ট করার সময় এই ট্যাগটি সরাসরি ব্যবহার করা যায় ।HTML Heading-এর প্রধান কাজ হল পেজ মধ্যস্হ কোন বাক্য বা বাক্যাংশকে মোটা(bold) এবং আকারে বড় করা । এই ট্যাগটি শুরু হয় “<h1>”-এই চিহ্ন দিয়ে আর শেষ হয় “</h1>” -চিহ্ন দিয়ে ।ট্যাগটির h-এর পাশের 1-এর মান 1 থেকে 6 পর্যন্ত হতে পারে ।অর্থাত্‍ <h1> …… </h1>,<h2> …… </h2>,<h3>……</h3>,<h4>……</h4>,<h5>……</h5>,<h6>……</h6> এই রূপে হয়ে থাকে ।এর মধ্যে <h1>-এর লেখার আকার সবচেয়ে বড় আর সবচেয়ে ছোট হল <h6>-এর লেখার আকার ।

***HTML Formatting Tags:-

ওয়েব পেজের প্রদর্শিত অক্ষরের গঠন কেমন হবে তা নিয়ন্ত্রন করা যাবে Formatting ট্যাগের মাধ্যমে ।Formatting-ট্যাগের সংখ্যা অনেক এখানে সচারাচর ব্যবহৃত হয় এমন কয়েকটি ট্যাগকে তুলে ধরলাম ।

<b> Tag:-
স্বাভাবিক আকারের কিন্তু bold বা মোটা হরফের অক্ষর প্রদর্শন করার জন্য এই ট্যাগটি ব্যবহৃত হয় । এর গঠন <b> …. </b> -এই ধরনের হয় ।
<i> Tag:-
ইটালিক্স বা বাকানো হরফের অক্ষর প্রদর্শন করার জন্য এই ট্যাগটি ব্যবহৃত হয় । এর গঠন <i> …. </i> -এই ধরনের হয় ।
<em> Tag:-
ট্যাগটির ব্যবহার  <i> Tag-এর মত ।এর গঠন <em> …. </em> -এই ধরনের হয় ।
<u> Tag:-
Underline বা নিম্নরেখাযুক্ত হরফের অক্ষর প্রদর্শন করার জন্য এই ট্যাগটি ব্যবহৃত হয় । এর গঠন <u> …. </u> -এই ধরনের হয় ।
<ins> Tag:-
ট্যাগটির ব্যবহার  <u> Tag-এর মত ।এর গঠন <ins> …. </ins> -এই ধরনের হয় ।
<del> Tag:-
Strikethrough বা মধ্যরেখাযুক্ত হরফের অক্ষর প্রদর্শন করার জন্য এই ট্যাগটি ব্যবহৃত হয় । এর গঠন <del> …. </del> -এই ধরনের হয় ।
<sup> Tag:-
Superscript বা বাক্য উপরিস্হ (আর বাংলা পেলাম না) অক্ষর প্রদর্শন করার জন্য এই ট্যাগটি ব্যবহৃত হয় । এর গঠন <sup> …. </sup> -এই ধরনের হয় ।
<sub> Tag:-
Subscript বা বাক্যনিম্নস্হ অক্ষর প্রদর্শন করার জন্য এই ট্যাগটি ব্যবহৃত হয় । এর গঠন <sub> …. </sub> -এই ধরনের হয় ।
<kbd> Tag:-
Keyboard বা লেখনীয় যন্ত্র( typwriter)  সদৃশ লেখার জন্য এই ট্যাগটি ব্যবহৃত হয় । এর গঠন <kbd> …. </kbd> -এই ধরনের হয় ।
<tt> Tag:-
ট্যাগটির ব্যবহার  <kbd> Tag-এর মত ।এর গঠন <tt> …. </tt> -এই ধরনের হয় ।
<pre> Tag:-
ওয়েব পেজে যখন কোন বড় বাক্য লেখা হয় তখন শেষে এটি নিজে থেকে নতুন অনুচ্ছেদ তৈরি করে ।একে নিয়ন্ত্রন করা যায়  <pre> Tag দিয়ে ।এর গঠন <pre> …. </pre> -এই ধরনের হয় ।
<blink> Tag:-
blinking বা নেভা-জ্বলা অক্ষর প্রদর্শন করার জন্য এই ট্যাগটি ব্যবহৃত হয় । এর গঠন <blink> …. </blink> -এই ধরনের হয় ।(আমার জানা মতে এটি Opera , Firefox কাজ করে)
<marquee> Tag:-
চলমান অক্ষর প্রদর্শন করার জন্য এই ট্যাগটি ব্যবহৃত হয় । এর গঠন <marquee> …. </marquee> -এই ধরনের হয় ।
html311 html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ৩অনুশীলন করুন :-
আজকের অলোচিত বিষয় গুলো সম্পর্কে ধারনা পরিস্কার করতে পাশের প্রদত্ত ছবিতে দেওয়া কোডগুলি নোডপ্যাডে লিখুন । লেখা শেষে নথিটিকে যেকোন নাম দিয়ে .html ফরম্যাট দিয়ে সংরক্ষণ  করুন ।এবার সংরক্ষিত html নথিটিকে ক্লিক করে ব্রাউজারে খুলুন ।আমি এখানে notepad++ ব্যবহার করছি ।
বিশ্লেষণ:-
উপরের ছবিতে দেওয়া কোড গুলিতে আজকে আলোচিত বিষয়গুলো লক্ষ্য করুন ।
  • ছয় নং লাইন থেকে দশ নং লাইনে Heading ট্যাগ ব্যবহৃত হয়েছে ।
  • ১১ নং ও ১২ নং লাইনে ব্যবহৃত হয়েছে Comments ট্যাগ ।
  • ১২ নং লাইনের Comments ট্যাগটি মুছে নথিটি আবার সেভ করে ব্রাউজারে খুলুন ।
  • ১৪ নং লাইনে ব্যবহৃত হয়েছে <b> ট্যাগ ।
  • ১৫ নং লাইনে ব্যবহৃত হয়েছে <i> এবং <em> ট্যাগ ।
  • ১৬ নং লাইনে ব্যবহৃত হয়েছে <u> এবং <ins> ট্যাগ ।
  • ১৭নং লাইনে ব্যবহৃত হয়েছে <del> ট্যাগ ।
  • ১৮নং লাইনে ব্যবহৃত হয়েছে <kbd> এবং <tt> ট্যাগ ।
  • ২০ নং আর ২১ নং লাইনে ব্যবহৃত হয়েছে <pre> ট্যাগ ।
  • ২২ নং আর ২৩ নং লাইনে ব্যবহৃত হয়েছে <sub> এবং <sup> ট্যাগ ।
  • ২৪ নং লাইনে ব্যবহৃত হয়েছে <blink> ট্যাগ ।
  • ২৫ নং লাইনে ব্যবহৃত হয়েছে <marquee> ট্যাগ ।
html3.1 html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ৩
ব্রাউজারে আউটপুট
আজ এ-পর্যন্তই ।ধন্যবাদ ভাল থাকুন নিজে আর ভাল রাখুন অপরকে…।

*** html শেখার উপায় : অধ্যায় ২


আজকে আমি আলোচনা করব Elements, Attributes,tag ইত্যাদি নিয়ে ।

***Elements বা উপাদান:-

HTML-এর Elements হল একটি ট্যাগের সম্পূর্ন অংশ যা কোন ট্যাগ দিয়ে শুরু হয় এবং শেষ হয় আর একটি ট্যাগ দিয়ে ।প্রশ্ন হল ট্যাগ কি ! ট্যাগ হল কিছু সংকেত যা ল্যাঙ্গুয়েজে ব্যবহৃত হয় ।আগের অধ্যায়ের উদাহরণে আপনারা  <html>,</html>,<body>,</body> …ইত্যাদি সংকেতগুলো ব্যবহার করেছেন ।এইগুলিই হল ট্যাগ ।ট্যাগের মূলত তিনটি অংশ যথা সূচনাকারী ট্যাগ,ধারণকারী ট্যাগ,সমাপ্তকরন ট্যাগ ।সূচনাকারী ট্যাগে সাধারনত “<>”-চিহ্ন থাকে, সমাপ্তকরন ট্যাগে থাকে “</>”-এই চিহ্ন আর ট্যাগের ধারণকারী অংশে থাকে HTML Elements ।
HTML Element-এর অবস্হানের ভিত্তিতে HTML Element-কে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায় ।
<html> element:-
<html> element কোন HTML নথির সম্পূর্ন অংশকে প্রদর্শন করে ।<html> element ,<html> ট্যাগ দিয়ে শুরু হয় আর শেষ হয় </html> দিয়ে ।এটি <head>,<title>,<body>,<p> ইত্যাদি elements গুলিকে ধারণ করে ।
<head> element:-
<head> element ,<head> ট্যাগ দিয়ে শুরু হয় আর শেষ হয় </head> দিয়ে। <head> element এর মধ্যে রাখা ট্যাগ সরাসরি ব্রাউজারে প্রদর্শিত হয় না। আমরা টাইটেল এলিমেন্ট <head> element-এর মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারি ।
<title> element:-
<title> element ,<title> ট্যাগ দিয়ে শুরু হয় আর শেষ হয় </title> দিয়ে। <head> এলিমেন্ট এর মাঝে <title> এলিমেন্ট রাখতে হয় ।
<body> element:-
<body> element,<body> ট্যাগ দিয়ে শুরু হয় আর শেষ হয় </body> দিয়ে।<body> element যা web page এর প্রদর্শিত সকল বিষয় গুলো ধারন করে। যে সব বিষয় গুলো আমরা web page এ দেখাতে চাই তা <body> element ট্যাগ এর মধ্যে রাখতে হয়।
<p> element:-
<p> element,<p> ট্যাগ দিয়ে শুরু হয় আর শেষ হয় </p> দিয়ে।<body> এলিমেন্ট এর মাঝে <p> এলিমেন্ট থাকে । এটি ওয়েব পেজে নতুন একটি paragraph বা অনুচ্ছেদ তৈরি করে ।

Attributes:-

Attributes-এর অর্থ হল বৈশিষ্ট্য,ধর্ম বা গুন ।অর্থাত্‍ যা ট্যাগের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য বহন করে তাই হল Attributes । সাধারণ ভাবে বলতে গেলে ট্যাগের মধ্যে যে অংশে “=” (সমান চিহ্ন) থাকে সেটিই হল ঐ ট্যাগের Attributes ।

p2 html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ২অনুশীলন করুন :-
আমি উপরে যে বিষয় গুলো তুলে ধরেছি তা এই উদাহরন থেকে ভাল ভাবে বোঝা সম্ভব ।পাশের ছবিতে যে কোডগুলি আছে তা নোটপ্যাডে লিখে নথিটিকে যে কোন নাম দিয়ে .html  ফরম্যাটে সংরক্ষন করুন ।এবার সংরক্ষিত .html  নথিটিকে ক্লিক করে ব্রাউজারে খুলুন ।
আলোচনা :-
উপরের কোডগুলিতে আজকে আলোচিত বিষয়গুলো লক্ষ্য করুন
  • <html> ট্যাগ দিয়ে <html> element  শুরু হয়েছে । মাঝে রয়েছে<head> ,<title>,<body>  element গুলি ।শেষ হয়েছে </html> ট্যাগ দিয়ে ।
  • <head> ট্যাগ দিয়ে <head> element শুরু হয়েছে । মাঝে রয়েছে <title>,<body>  element গুলি।এখানে <link rel=”stylesheet” type=”text/css” />  কোডটি ব্যবহৃত হয়েছে কোন css ফাইলকে যুক্ত করার জন্য ।যদিও আমি কোন লিংকে যুক্ত করিনি, এখানে link ট্যাগের rel ও type দুটি Attributes ব্যবহৃত হয়েছে ,এটি বোঝানোর জন্য এই কোডটি লিখিছি । আর <head> element শেষ হয়েছে </head> ট্যাগ দিয়ে ।
  • <title> ট্যাগ দিয়ে <title> element শুরু হয়েছে । মাঝে রয়েছে <title> element , মোর কুড়েঁঘর ।শেষ হয়েছে </title> দিয়ে ।
  • <body> element-এ রয়েছে <h1>,<h2>,<font> ট্যাগগুলি, এগুলি নিয়ে পরে আলোচনা করব ।শুধু খেয়াল করুন এখানে align বলে ১টি Attributes ব্যবহৃত হয়েছে ।
p211 html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ২
বি.দ্র-কিছু কিছু ট্যাগ আছে যাদের সূচনাকারী ট্যাগ ও সমাপ্তকরন ট্যাগ একটি যেমন <br/>

আজ এ-পর্যন্তই ।ধন্যবাদ ভাল থাকুন নিজে আর ভাল রাখুন অপরকে…।

***Html শেখার উপায় : অধ্যায় ১

<h1>Lesson 1 HTML</h1> googleb74d12566e23c282

*** HTML-এর সারসংক্ষেপ:-

HTML-এর সম্পূর্ণ রূপ হাইপার টেক্সট মার্ক আপ ল্যাঙ্গুয়েজ ( Hyper Text Markup Language) ।এটি একটি ফর্ম্যাট যাতে বিভিন্ন প্রকারের ফর্ম্যাটিং ও হাইপারলিংক ব্যবহার করা যায়। ইন্টারনেটে, তথা ওয়েবসাইটে এইচ টি এম এল সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এই ফাইলের এক্সটেনশন .htm অথবা .html উভয়ই হতে পারে। এতে বিভিন্ন ট্যাগ ব্যবহার করে বিভিন্ন ফর্ম্যাটিং, অবজেক্ট ও লিংক প্রকাশ করা করা হয়।ওয়েব ডেভলোপিং শিখার হাতে-খরি এটিই । খুবই সহজ সরল একটা কোডিং পদ্ধতি ।বর্তমানে HTML5 বলে আরও একটি ল্যাঙ্গুয়েজ আছে । HTML5 মূলত HTML-এরই পরিবর্তিত রূপ । তবে অনেক কাজ আছে যেগুলি শুধু HTML-তেই হয়,HTML5-এ হয় নাlearn html১ Html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ১
HTML শেখার প্রয়োজোনীয় উপকরণ:-


উপরের লেখাগুলি পড়তে পড়তে হাফিয়ে গেছেন তাই না ! আসুন HTML-কে আপনাদের কাছে একটু আকর্ষনীয় করে তুলি ।প্রস্তুত হোন আপনার প্রথম ওয়েব পেজ তৈরি করার জন্য ।

  • প্রথমে নোটপ্যাড খুলুন । তারপর পাশের ছবিতে  দেওয়া কোডগুলি টাইপ করুন ।
  • nopad Html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ১
    nopad11 Html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ১লেখা শেষ হলে নথিটিকে খুশিমত নাম দিয়ে .html ফরম্যাটে সংরক্ষন করুন ।
    এরপর এই html নথিটিকে ক্লিক করুন আর ব্রাউজারে আপনার তৈরিকৃত প্রথম ওয়েব পেজটিকে দেখুন ।nopad2 Html শেখার সহজ উপায় : অধ্যায় ১
    উপরের কোডগুলির প্রাথমিক বিশ্লেষণ:-
    • লক্ষ্য করুন উপরের কোডটি শুরু হয়েছে ট্যাগ দিয়ে<html> এবং শেষ হয়েছে</html>  ট্যাগ দিয়ে ।অর্থাত্‍ যে কোন HTML ফাইল অবশ্যই<html>  ট্যাগ দিয়ে শুরু এবং শেষ হয় </html>ট্যাগ দিয়ে ।
    • শুধু তাই নয় HTML-এর যে কোন ট্যাগ শুরু করতে <> চিহ্ন এবং শেষ করতে </>  চিহ্ন ব্যবহৃত হয় । যেমন:- <body> … </body>
    প্রাথমিক HTML পেজের গঠন:-
    নিচে একটি HTML পেজের গঠন দেখান হল ।
    <html>
    <head>
    <title>আপনার ওয়েবসাইটের নাম যেমন Tunerpage</title>
    </head>
    <body>
    <h2>আমি HTML শিখতে চলেছি ।কি মজা !</h2>
    </body>
    </html>
    বিশ্লেষণ:-
    • <head>…</head> এর ভেতরে সাধারনত বিভিন্ন স্কিপট যেমন javascript,css ইত্যাদি থাকে ।
    • <title>…<title> এর ভেতরে  আপনার ওয়েবসাইটের নাম থাকে ।যেমন টিউনার পেজ খুললে ব্রাউজারের উপরে দেখতে পারবেন ” Tunerpage । The Ultimate Path of Bangla Technology ” এটি মূলত এই অংশে লেখা ।
    • <body> … </body> এর ভেতরে থাকে আপনার পেজের যাবতীয় তথ্য ।




    Thanks।

    ***ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি করুন ব্লগ::শেষ পর্ব


                        ***বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম***

    আসসালামু আলাইকুম,কেমন আছেন সবাই? আশা করি মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে খুবই ভাল আছেন। আপনি ভাল থাকবেন ও আপনার পাশের লোকটিকেও ভাল রাখবেন। আজ আবারও আপনাদের সামনে হাজির হয়েছে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ তৈরির ৯ম পর্ব নিয়ে। আজকের পর্ব হল ওয়ার্ডপ্রেসে ফ্রি ও ঝামেলা বিহীন ব্লগ তৈরির শেষ পর্ব। আজকের পর্বে থাকছি কিভাবে আপনি আপনার ব্লগে ভিজিটর, মন্তব্য বাড়াবেনসহ আরও কিছু।
    ইন্টারনেটে আমরা সরাসরি কারও সাথে কথা বলতে পারি না। তাই নিজের ইচ্ছা মতো মত প্রকাশের মাধ্যম হল ব্লগ বা ওয়েব লগ। আপনি আপনার ব্লগে ভিজিটর বাড়াতে প্রথম যে কাজটি করতে পারেন, তাহল অন্যান্য জনপ্রিয় ব্লগগুগলোতে অতীথি ব্লগার হিসেবে লেখা লেখি করা। আমার কয়েকটি মতামত দেখুন ভাল লাগে কিনা। আমি আশা করি এগুলো আপনি ব্যবহার করলে আপনার ব্লগে ভিজিটর ও মন্তব্য বাড়বে। আপনি চাইলে আরও নতুন নতুন কিছু যোগ করে মানে যেভাবে পারেন যেভাবে পারেন আপনার ব্লগে জনপ্রিয় করে তুলতে পারেন।
    • আপনার ব্লগের একটি সুন্দর নাম নির্বাচন করুন। যা দেখে ভিজিটররা আপনার ব্লগে আসতে উৎসাহি হয়।
    • আপনার ব্লগের জন্য একটি সুন্দর আইকন বা লগো নির্বাচন। তা অবশ্যই ব্লগে ক্যাটাগরির উপর ভিত্তি করে করবেন।
    • আপনার ব্লগে নিয়মিত নতুন নতুন টিউন করুন।
    • অন্যান্য জনপ্রিয় ব্লগগুলোতে একটি করে রিভিউ দিতে পারেন।
    • বিভিন্ন ব্লগে গিয়ে মন্তব্য করতে পারেন।
    • টিউন করার সময় অবশ্যই টিউনের উপর ভিত্তি করে ভাল ভাল ছবি যুক্ত করুন।
    • বর্তমানে ইমেইলে স্বাক্ষর যুক্ত করা যায়। স্বাক্ষর অংশে আপনার ব্লগের লিংক দিয়ে রাখতে পারেন। ফলে আপনি কোথাও মেইল করলে তার সাখে লিংকও যাবে।
    • নিউজলেটারের ব্যবস্থা রাখুন। এতে অনেকেই আপনার ব্লগের নতুন নতুন টিউন পড়তে চলে আসবে।
    • আপনার ব্লগের সাথে ফেইসবুকে শেয়ার করার ব্যবস্থা রাখুন। এতে ফেইসবুকে লিংক দেখে অনেকেই চলে আসবে আপনার ব্লগে।
    • আপনার ব্লগের সাথে টুইটারে শেয়ার করার ব্যবস্থা রাখুন। এতে টুইটারে লিংক দেখে অনেকেই চলে আসবে আপনার ব্লগে।
    • বাজে কোন টিউন করবেন না। এতে ভিজিটর কমে যাবে।
    • টিউন লেখার সময় অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন যাতে টিউনে কোন কঠিন শব্দ প্রবেশ না করে।
    • আপনার ব্লগে যারা মন্তব্য করবে তাদের মন্তব্য কখনও পরিবর্তন বা মডারেশন করবেন না। এতে আপনার ব্লগের প্রতি ভিজিটররা খারাপ চিন্তা করবে।
    • অনেক ব্লগে দেখা যায়, যেখানে মন্তব্য করতে হলে রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়। এটি করবেন না, এতে ভিজিটররা মন্তব্য করতে নিরুৎসাহিত হয়।
    • আপনার ব্লগের মন্তব্যকারিদের মন্তব্যের অবশ্যই জবাব দেবেন। এতে ভিজিটররা খুশি হবে ও ভিজিটরও বাড়বে।
    • সর্বশেষ কে কে মন্তব্য করেছেন এর একটা তালিকা রাখবেন।
    • আপনি যখন আপনার মন্তব্যকারিদের জবাব দেবেন, তখন অবশ্যই ভাল ভাবে দেখাবেন ও আন্তরিক ব্যবহার দেখাবেন। কোন খারাপ আচরণ করবেন না।
    • যে টিউনগুলো করবেন, সেগুলো সুন্দর একটি শিরোনাম দিবেন, যাতে ভিজিটররা আগ্রহী হয় দেখতে।
    • মন্তব্য করার পর অন্তত বলবেন “ধন্যবাদ আপনাকে, আমাদের সাথেই থাকুন”, “আপনার মূল্যবান সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ” বা আপনার ইচ্ছা মতো ভাল ব্যবহার করবেন।
    • মন্তব্যকারিদের ইচ্ছা অনুযায়ী টিউন করতে চেষ্টা করবেন। যেমন- আপনার ভিজিটর চাইল যে কিভাবে কম্পিউটার অন করতে তার উপর টিউন করতে। তাই আপনার উচিৎ এর উপর একটি টিউন করা। এতে ভিজিটররা আপনার ব্লগের প্রতি আরও আগ্রহী হবে।
    • বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধান নিয়ে একটি পাতা রাখতে পারেন। এতে ভিজিটররা কোন সমস্যায় পড়লে আপনাকে জানাবে। আপনি যদি তাদের সমস্যার সমাধান করেন, তাহলে আপনার ব্লগের প্রতি ভিজিটররা আরও বেশি আগ্রহী হবে।
    • মন্তব্যের সাথে এ্যাভাটার যুক্ত রাখুন, তাহলে মন্তব্যটি আরও সুন্দর দেখাবে।
    • প্রতি টিউনের শেষে আপনি ভিজিটরদের প্রতি কয়েকটি প্রশ্ন করবেন টিউনের উপর ভিত্তি করে। মানে ভিজিটররা এই টিউন থেকে কি কি শিখতে পেরেছে এর উপর প্রশ্নগুলো করবেন। এতে আপনার টিউনে মন্তব্যের পরিমাণ বাড়বে।
    • তাছাড়া আপনার ব্লগের পরিবেশ অবশ্যই সুন্দর ও পরিচ্ছন রাখবেন, যাতে আপনার ব্লগ দেখে ভিজিটররা বিরক্ত না হয়।
    • সবচেয়ে বড় কথা আপনার ব্লগে সব সময় নতুন, নতুন টিউন করবেন। কখনও কপি পেষ্ট করা টিউন দিবেন না। মানে অন্যের লেখা হুবহু কপি করে এনে আপনার ব্লগে চালিয়ে দিবেন না।
    • আশা করি উপরক্ত নিয়মগুলো মেনে চললে আপনার ব্লগ একটি জনপ্রিয় ব্লগে পরিণত হবে।
    আজকে শেষ হল আমার ওয়ার্ডপ্রেসে ফ্রি ও ঝামেলা বিহীন ব্লগ তৈরির ধারাবাহিক চেইন টিউন। কতটুকু আপনাদের উপকার হয়েছে জানি না। আমি চেষ্টা করেছি আপনাদের খুব সহজে, ঝামেলা বিহীন ও সহজ ভাষায় বুঝাতে চেষ্টা করেছি। আপনারাই বলতে পারবেন কতটুকু পেরেছি। আমি এখানে সবগুলো টিউনের পর্বগুলো লিংক আকারে দিতে পারতাম, কিন্তু দেইনি। কারণ প্রথম পাতায় এই টিউটোরিয়ালটির উপর একটি ব্যানার আছে, ওখানে আপনি ক্লিক করলেই সবগুলো টিউন একসাথে পেয়ে যাবেন।
    আমি আমার টিউনগুলোর মাঝে যদি ভুল করে থাকি, তবে আপনারা বড় হিসেবে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। আর যদি আপনাদের সামান্যতম উপকার হয়ে থাকে, তবে আমার জন্য দোয়া করবেন, আমি যেন আপনাদের ভাল ভাল টিউন উপহার দিতে পারি। সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, আল্লাহ হাফেজ…

    ***ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি করুন ব্লগ:::৮ম পর্ব


                               ***বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম**

    আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে খুবই ভাল আছেন। আপনি ভাল থাকবেন ও আপনার পাশের লোকটিকেও ভাল রাখবেন। আজ আবারও আপনাদের সামনে হাজির হয়েছে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ তৈরির ৮ম পর্ব নিয়ে। আজকের পর্ব হল আপনার ব্লগের কিভাবে SEO (Search Engine Optimaige) করবে। SEO আশা করি বুঝেছেন। আপনাদের পিপি ভাই আপনাদের জন্য ধারাবাহিক SEO এর টিউন করছেন। আপনারা সবাই তারা সাথেই শিখে নিন কিভাবে SEO করতে হয়। তবে আমি যে SEO দেখাব, এটি শুধু মাত্র ওয়ার্ডপ্রেসে ফ্রি ব্লগের জন্য প্রযোজ্য। কারণ আপনি যেগেতু কোন প্লাগইনস ব্যবহার করতে পারছেন না, তাই আপনাকে আমার দেখানো পথেই যেতে হবে। যাদের নিজস্ব সার্ভারে ওয়েবসাইট আছে, তারা বিভিন্ন প্লাগইনস ব্যবহার করে SEO করে থাকে। সেক্ষেত্রে আপনি অক্ষম।
    তবে আপনি যদি আপনার ব্লগে SEO করেন তাহলে আপনাকে কয়েকটি কাজ ভাল ভাবে করতে হবে। কাজ গুলো হলঃ ১। নিয়মিত টিউন করা, ২। কপি পেষ্ট করা যাবে না, ৩। আপনার ব্লগটি অবশ্যই মান সম্মত হতে হবে। ওয়ার্ডপ্রেসে গুগল, বিং ও ইয়াহু তিনটি দ্বারা SEO করা যায়। তিনটিতেই করলে ভাল। তবে SEO আপনি কখন করবেন? SEO আপনি ঐ সময় করবেন যখন আপনার ব্লগে একাধিক ব্লগার থাকবে। কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেসে একাধিক ব্লগার যুক্ত করতে হয় তা আমি আগের পর্বে দেখিয়েছি। কারণ আপনি হয়ত বুঝে শুনে লিখবেন কিন্তু আপনার ব্লগাররা যদি ঠিক ভাবে না লিখে তাহলে আপনার ব্লগটি আস্তে আস্তে খারাপ ও বাজে হয়ে যাবে। যাক চলুন আপনার তৈরি করা ব্লগের SEO টা করে ফেলি।
    প্রথমে আপনার ড্যাসবোর্ডে প্রবেশ করুন। এবার বামপাশের প্যানেল থেকে Tools এ যান। এখানে তিনটি অপশন পাবেন, গুগল, ইয়াহু ও বিং এর। একে একে সিইও করবো।

    **Google Webmaster Tools**

    • একটি নতুন ট্যাব খুলে এখানে যান https://www.google.com/webmasters/tools/
    • এবার আপনার গুগল একাউন্ট দিয়ে লগইন করুন। গুগল একাউন্ট না থাকলে একটি তৈরি করে নিন।
    • লগইন করার পর আপনাকে একটি পৃষ্ঠায় নিয়ে যাবে।
    • ওখানে আপনার ব্লগের নাম চাইবে। আপনার ব্লগের লিংকটা দিন। যেমন- untweeter.wordpress.com
    • এবার আপনাকে বলবে আপনার সাইটটি কি ধরনের মানে আপনার ব্লগকে আপনি কি ধরনের সাইট হিসেবে পরিচিত করবেন তাই্ Mete Tag থেকে দিবেন।
    • সবকিছু ঠিক থাকলে আপনাকে একটি কোড দিবে তারা দেখতে অনেকটা এই রকম…
    <meta name='google-site-verification' content='dBw5CvburAxi537Rp9qi5uG2174Vb6JwHwIRwPSLIK8'>
    • এবার কোডটি কপি করে আপনার ব্লগের Tools >> Google Webmaster Tools এ পেষ্ট করুন।
    • এবার সবকিছু সেভ করুন ও কোডের পাতায় আবার যান।
    • এবার এখান থেকে Verify বাটনে ক্লিক করুন।
    • তাহলেই গুগলের দ্বারা সিইও করার কাজ শেষ।

    ***Yahoo Site Explorer***

    • ইয়াহু থেকে সিইও করতে প্রথমে এখানে যান https://siteexplorer.search.yahoo.com/
    • এবার আপনার ইয়াহু একাউন্ট দিয়ে লগইন করুন না থাকলে একটি একাউন্ট তৈরি করে নিন। তবে ইয়াহুতে একাউন্ট না থাকলে জিমেইল বা হটমেইট একাউন্ট দিয়ে লগইন করেও করতে পারবেন।
    • এবার আপনাকে সিইও এর পাতায় নিয়ে যাবে।
    • ওখানে আপনার ব্লগের নাম চাইবে। আপনার ব্লগের লিংকটা দিন। যেমন- untweeter.wordpress.com
    • এবার আপনাকে বলবে আপনার সাইটটি কি ধরনের মানে আপনার ব্লগকে আপনি কি ধরনের সাইট হিসেবে পরিচিত করবেন তাই্ Mete Tag থেকে দিবেন।
    • সবকিছু ঠিক থাকলে আপনাকে একটি কোড দিবে তারা দেখতে অনেকটা এই রকম…
    <meta name='y_key' content='3236dee82aabe064'>
    • এবার কোডটি কপি করে আপনার ব্লগের Tools >> Yahoo! Site Explorer এ পেষ্ট করুন।
    • এবার সবকিছু সেভ করুন ও কোডের পাতায় আবার যান।
    • এবার এখান থেকে Ready to Authenticate বাটনে ক্লিক করুন।
    • তাহলেই ইয়াহুর দ্বারা সিইও করার কাজ শেষ।
    • তবে এক্ষেত্রে আপনার কাছে ২৪ ঘন্টা সময়ও নিতে পারে।

    ***Bing Webmaster Center***

    • একটি নতুন ট্যাব খুলে এখানে যান http://www.bing.com/webmaster
    • এবার আপনার হটমেইল বা লাইভ মেইল একাউন্ট দিয়ে লগইন করুন। একাউন্ট না থাকলে একটি তৈরি করে নিন।
    • লগইন করার পর আপনাকে একটি পৃষ্ঠায় নিয়ে যাবে।
    • ওখানে আপনার ব্লগের নাম চাইবে। আপনার ব্লগের লিংকটা দিন। যেমন- untweeter.wordpress.com
    • এবার Submit বাটনে ক্লিক করুন।
    • এবার আপনাকে বলবে আপনার সাইটটি কি ধরনের মানে আপনার ব্লগকে আপনি কি ধরনের সাইট হিসেবে পরিচিত করবেন তাই্ Mete Tag থেকে দিবেন।
    • সবকিছু ঠিক থাকলে আপনাকে একটি কোড দিবে তারা দেখতে অনেকটা এই রকম…
    <meta name='msvalidate.01' content='12C1203B5086AECE94EB3A3D9830B2E'>
    • এবার কোডটি কপি করে আপনার ব্লগের Tools >> Bing Webmaster Center এ পেষ্ট করুন।
    • এবার সবকিছু সেভ করুন ও কোডের পাতায় আবার যান।
    • এবার এখান থেকে Return to the Site List বাটনে ক্লিক করুন।
    • তাহলেই গুগলের দ্বারা সিইও করার কাজ শেষ।
    আজ তাহলে এই পর্যন্তই। আশা করি আগামি পর্বে দেখা হবে, ইনশাআল্লাহ। সবাইকে অনেক ধন্যবাদ, আল্লাহ হাফেজ……..

    ***ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি করুন ব্লগ:::৭ম পর্ব


    **বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম**

    আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই? আশা করি মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে খুবই ভাল আছেন। আপনি ভাল থাকবেন ও আপনার পাশের লোকটিকেও ভাল রাখবেন। আজ আবারও আপনাদের সামনে হাজির হয়েছে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ তৈরির ৭ম পর্ব নিয়ে। আমি এর আগের পর্বে কিছু টিপস দেখিয়ে ছিলাম ওয়ার্ডপ্রেসের ব্লগের জন্য। রীতিমতো এবার থাকছে আরেকটি টিপস, তাহল আপনার ব্লগে কিভাবে একাধিক ব্লগার যুক্ত করবেন…

    ***টিউনার যোগ করা**

    আপনার ব্লগটি হয়ত ব্যক্তিগত। যেখানে আপনিই শুধু লেখেন। এতে আপনাকে বেশি কষ্ট করতে হয়। আপনি চাইলে আরও টিউনার যুক্ত করে আপনার এই কষ্ট কিছুটা কমাতে পারেন। মানে আপনি আপনার ব্লগে আপনার ইচ্ছা মতো লেখক যোগ করতে পারবেন। যেমন- টিউনার পেইজে অনেক টিউনার আছে। আপনার প্রথম পাতার ডানপাশে দেখবেন টপ টিজেদের তালিকা আছে। মানে এখানে যারা এই ব্লগে বেশি লিখেছেন তাদের তালিকা। এই রকম আরও টিজে আছে এই ব্লগে। এখানে তো আপনারা নিজে নিজেই যুক্ত হতে পারেন, কিন্তু আপনার ব্লগে ইচ্ছা মতো কেউ যুক্ত হতে পারবে না। যুক্ত করতে হলে আপনাকেই কাজ করতে হবে। এজন্য….
    আপনার ব্লগের ড্যাসবোর্ডে প্রবেশ করুন। এবার বামপাশের প্যানেল থেকে Users >>> Users এ যান। এবার আপনি যে পাতায় গিয়ে পোঁছাবে, সেখানে দেখবেন, আপনার ব্লগের সকল লেখকদের দেখতে পাবেন। অবশ্য আপনির একাউন্ট ছাড়া আর কারও একাউন্ট দেখবেন না। কারণ আপনিই শুধু এখানের লেখক ও পরিচালক। এখন মনে করি, আপনি “অনির্বাচিত টিউনার” কে আপনার ব্লগের লেখক হিসেবে যুক্ত করবেন। এখান লেখক যুক্ত করার জন্য Add User Form Community >>> User E-Mail এ লেখকের ইমেইল আইডি দেন। এবার Role থেকে আপনার যুক্ত করা ইউজারের পদ নির্বাচন করুন। যেমন- যদি শুধু লেখক হয় তাহলে Another, মডারেটর হিসেবে রাখতে Moderator নির্বাচন করুন, এখানে আপনার ইচ্ছা মতো পদ নির্বাচন করুন। এবার Add Users এ ক্লিক করুন। তাহলেই নতুন ইউজার যোগ হয়ে যাবে।  এভাবে আপনার ইচ্ছা মতো টিউনার/ব্লগার যুক্ত করতে পারবেন।
    সামনের পর্বে আপনাদের জন্য থাকবে SEO এর উপর আলোচনা। তাহলে আজ এই পর্যন্ত। পরের পর্বে আশা করি দেখা হবে। সবাইকে অনেক ধন্যবাদ, আল্লাহ হাফেজ….

    ***ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি করুন ব্লগ::৬ষ্ঠ পর্ব


                      ***বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম***

    আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে খুবই ভাল আছেন। আপনি ভাল থাকবেন ও আপনার পাশের লোকটিকেও ভাল রাখবেন। আজ আবারও আপনাদের সামনে হাজির হয়েছে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ তৈরির ৬ষ্ঠ পর্ব নিয়ে। ওয়ার্ডপ্রেসের উপর ব্লগ তৈরির মূল পর্বগুলো মোটামুটি শেষ। আজ দেখাব কিছু বিশেষ বিশেষ টিপস।

    ***সামাজিক সাইটগুলোতে অটোমেটিক পোষ্ট আপডেট***

    সামাজিক সাইট বলতে ফেইসবুক, টুইটার, ইয়াহুতে সরাসরি ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে পোষ্ট করবেন এটাই দেখাব। আপনারা কি কখনও লক্ষ্য করেছেন, আমাদের টিউনার পেইজে কোন নতুন টিউন হলেই তা সরাসরি ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেইসবুকে আপডেট হয়। এক্ষ্রেত্রে কেউ কোন কিছুই করে না। শুধু ব্লগে একটু কাজ করা হয়েছে। মানে ব্লগে ফেইসবুকের লিংক দেয়া আছে, তাই সরাসরি আপডেট। এই কাজটি যদি আপনি করেন, তাহলে আপনার ব্লগে ভিজিটরও বাড়বে। ফলে আপনার ব্লগটিও হয়ে উঠবে দ্রুত জনপ্রিয়। এবার চলুন কাজটি করি।
    আপনার ব্লগের ড্যাসবোর্ডে প্রবেশ করুন। এবার বামপাশের প্যানেল থেকে My Blogs এ ক্লিক করুন। তাহলে নিচের মতো একটি পাতা আসবে।
    s1308116228573 ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি করুন ব্লগঃ ৬ষ্ঠ পর্ব
    দেখুন অনেকগুলো চেকবক্স আছে। আপনি আপনার পচন্দ মতো জায়গায় টিক দিন। ইচ্ছা করলে সবগুলোতেই চেক করতে পারবেন। এখন মনে করি, আপনি টুইটারে আপনার ব্লগের নতুন নতুন টিউনগুলো সরাসরি আপডেট করবেন। Twitter চেক করুন। তাহলে আপনাকে সরাসরি টুইটার একাউন্টে নিয়ে যাবে। এবার আপনার টুইটার একাউন্ট লগইন করুন। আর যদি একা্‌উন্ট না থাকে তাহলে একটি একাউন্ট খুলে নিন। আপনি লগইন করার পর আর সাইন আউট করবেন না। তাহলে আপনি নতুন টিউন করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবেই টুইটারে টিউন শুরু হয়ে যাবে।

    ***এলোমেলো টিউন***

    এলোমেলো টিউন হল আপনি যদি বিভিন্ন ব্লগ ভিজিটর হন, তাহলে বিভিন্ন জায়গায় দেখবেন এলোমেলা পোষ্ট থাকে। যেমন- টিউনার পেইজেই আপনাদের জন্য এই রকমই একটি অপশন আছে। কোথায়? আপনি উপরের স্লাইডবারের মানে “লগইন/রেজিট্রাষ্টার” বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে উপর থেকে একটি বক্স আসবে। বামদিকে দেখুন, লেখা আছে “সর্বশেষ টিউন” এটার নিচেই দেখবেন একটি টিউন আছে। কি আছে দেখুন! এবার বক্সটি আবার বন্ধ করে আবার খুলুন, দেখবেন আরেকটি চলে এসেছে। এটাই হল এলোমেলো টিউন বা র‍্যানডোম টিউন।
    আপনি ইচ্ছা করলে আপনারও ব্লগেও এমন একটি টিউন রাখতে পারেন। এজন্য ড্যাসবোর্ডে প্রবেশ করুন। বামপাশের প্যানেল থেকে Appearance >> Widgets এ যান। এবার একটি নতুন Text উইজেট নিন। এটাকে টেনে আপনার পচন্দ মতো জায়গায় বসান। এবার এটি ভিতরে লিখুন,
    <span style=”font-size:130%;”><a class=”blank” href=”http://untweeter.wordpress.com/?random” title=”এলোমেলো ভাবে একটি টিউন দেখাতে এখানে গুঁতো মারুন” target=”_blank”>Random Post</a></span>
    উপরে কোডটি টেক্সট বক্সটির টাইটেল বক্সে পেষ্ট করবেন। আবার সেভ করুন ও আপনার ব্লগে দেখুন একটি র‍্যানডোম অপশন চলে এসেছে। তবে untweeter.wordpress.com এর পরির্বতে আপনার ব্লগের লিংক দিবেন।

    ***ব্লগে ফেইসবুক ও টুইটার লিংক দেয়া**

    অনেক ব্লগে দেখে থাকবেন যে, ব্লগের একপাশে ব্লগের ফেইসবুক লিংক বা টুইটার লিংক থাকে। আপনি ইচ্ছা করলে আপনার ব্লগেও আপনার ফেইসবুকের লিংক বা টুইটারের লিংক দিতে পারেন। এজন্য ড্যাসবোর্ডে প্রবেশ করুন। বামপাশের প্যানেল থেকে Appearance >> Widgets এ যান। এবার একটি নতুন Text উইজেট নিন। এটাকে টেনে আপনার পচন্দ মতো জায়গায় বসান। এবার এটি ভিতরে লিখুন,
    ফেইসবুকের জন্য,
    <a href=”http://www.facebook.com/username” target=”_blank”><img src=”http://cache.addthis.com/icons/v1/thumbs/32×32/facebook.png” border=”0″ alt=”Facebook” /></a>
    টুইটারের জন্য
    <a href=”http://twitter.com/username” target=”_blank”><img src=”http://cache.addthis.com/icons/v1/thumbs/32×32/twitter.png” border=”0″ alt=”Twitter” /></a>
    কোডটির দিকে লক্ষ্য করুন, www.facebook.com/username ও twitter.com/username ২টি লাইন আছে, দুইটি কোড। এখানের user name এর জায়গায় আপনার প্রোপাইলের লিংক দিবেন। যেমন- আমার ফেইসবুকের প্রোপাইল লিংক হলে tweetersite. তাহলে কোড লিখবো  http://www.facebook.com/tweetersite. একই ভাবে টুইটারেও।

    **স্বয়ংক্রিয়ভাবে সূচীপত্র তৈরি***

    মনে করেন আপনি আপনার ব্লগে ১০০টি টিউন করেছেন। এখন আপনি এগুলো দেখতে হলে আপনাকে এক এক পাতা করে দেখতে হবে। কিন্তু আপনি যদি একটি বুদ্ধি খাটান তাহলে এই কষ্ট চলে যাবে। মানে এক ঠিলে দুই পাখি মারা। আর এর জন্য প্রয়োজন লিষ্ট রাখা। এখন যদি আপনার ব্লগই আপনার প্রত্যেকটি টিউনের স্বয়ংক্রিয় সূচীপত্র তৈরি করে দেয়, তাহলে কেমন হয়? খুবই মজা, তাই না? জ্বী, আপনাকে মাত্র একটি শব্দ লিখতে হবে। তাহলেই হবে।
    এজন্য আপনার ড্যাসবোর্ডে প্রবেশ করুন। এবার একটি নতুন পাতা তৈরি করুন। আমি আমার আগের পর্বে দেখিয়ে ছিলাম কিভাবে নতুন পাতা তৈরি করতে হয়। তাই কষ্ট করে একটু দেখে নিন। এবার পাতার টাইটেলে লিখুন আপনার ইচ্ছা মতো শিরোনাম। যেমন- সূচীপত্র, পোষ্টসূচী, সকল টিউন, টিউন মেলা ইত্যাদি। এবার বর্ণনা অংশে লিংখুন
    [ archives ]
    এখানে আমি archives এর দু’পাশে খালি রেখেছি, আপনারা যখন লেখবেন তখন খালি রাখবেন না। খালি থাকলে কাজ হবে না। আমি খালি রেখেছি, কারণ খালি না রাখলে টিউনার পেইজের সকল টিউন এখানে চলে আসবে icon biggrin ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি করুন ব্লগঃ ৬ষ্ঠ পর্ব । এখন আপনি তো টিউনসূচী তৈরি করলেন, এখন সমস্যা হল, লেখা যদি ছোট ছোট দেখায়, তাহলে? তাহলে উপরের কোডটির পরিবর্তে নিচের কোডটি লিখুন
    <span style=”font-size:130%;”>[ archives ]</span>
    এখানে আমি archives এর দু’পাশে খালি রেখেছি, আপনারা যখন লেখবেন তখন খালি রাখবেন না। খালি থাকলে কাজ হবে না। আমি খালি রেখেছি, কারণ খালি না রাখলে টিউনার পেইজের সকল টিউন এখানে চলে আসবে icon biggrin ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি করুন ব্লগঃ ৬ষ্ঠ পর্ব । নিচে আর কিছু স্টাইল দিলাম সূচীপত্রের…
    Last 12 months:
    [archives type=monthly limit=12]
    Last 12 months with post count:
    [archives type=monthly limit=12 showcount=true]
    Last 18 days:
    [archives type=daily limit=18]
    Last 32 posts:
    [archives limit=32]
    Last 3 weeks:
    [archives type=weekly limit=3]
    All posts in a drop-down:
    [archives format=option]
    Last 12 months with post count in a drop-down:
    [archives format=option type=monthly limit=12 showcount=true]
    Last 17 weeks with some before and after text:
    [archives type=weekly limit=17 before='some before text' after='some after text']
    Note: Do not copy and paste the above examples, as they will not work on your blog (there is extra HTML code within the brackets required to prevent the shortcodes from actually generating an archives list). Please be sure to type out the shortcode manually when adding it to your blog.
    আজকের মতো এই পর্যন্ত। আবারও আশা করি সামনের পর্বে দেখা হবে, ইনশাআল্লাহ। ধন্যবাদ সবাইকে, আল্লাহ হাফেজ…

    ***ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি ব্লগ::৫ম পর্ব


                           ****বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম***

    আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে খুবই ভাল আছেন। আপনি ভাল থাকবেন ও আপনার পাশের লোকটিকেও ভাল রাখবেন। আজ আবারও আপনাদের সামনে হাজির হয়েছে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ তৈরির ৫ম পর্ব নিয়ে। আজকের পর্বে থাকছে কীভাবে আপনি আপনার ব্লগকে বাংলা ভাষায় রূপান্তর করবেন, টাইম জোন, নতুন পৃষ্ঠা তৈরি করবেন ইত্যাদি নিয়ে।

    ***ব্লগকে বাংলা ভাষায় রূপান্তর ও টাইম জোন***

    আমরা বাঙ্গালি আর আমাদের মাতৃভাষা হল বাংলা। তাই আপনার ব্লগকেও তৈরি করুন বাংলা ব্লগে। আর এই জন্য আপনাকে কয়েকটা ক্লিক করতে হবে। প্রথমে আপনি ড্যাসবোর্ডে প্রবেশ করুন। এবার বামপাশের প্যানেল থেকে Settings >> General এ যান। এবার নিচের দিকে গিয়ে Language অপশন থেকে বাংলা ভাষা নির্বাচন করুন। এজন্য “bn-বাংলা” নির্বাচন করুন। এবার সেভ করুন।
    Timezone হল আপনার এলাকার সময় নির্ধারণ করা। যেহেতু আমরা বাংলাদেশি তাহলে Timezone >>> Dhaka নির্বাচন করুন। এবার তারিখ ও সময় বিন্যাস করুন। মানে আপনার পোষ্টে তারিখ ও সময় কিভাবে দেখাবেন তাই। এজন্য Data Format >>> আপনার পচন্দ মতো বিন্যাস নির্বাচন করুন, Time Format >>> থেকে আপনার পচন্দ মতো নির্বাচন করুন, Week Starts on থেকে নির্বাচন করুন দিন, যা দিয়ে আপনি সপ্তাহ শুরু করবেন।
    আপনার ব্লগে কেউ মন্তব্য করলে বা কেউ আপনার ব্লগের সাবস্ক্রাইব হলে আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেস কতৃপক্ষ স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনাকে মেইল করে জানাবে। এগুলো আপনাকে জানাবে আপনার কোন ই-মেইলে পাঠাবে তা নির্ধারণ করতে হবে। এজন্য Email Address থেকে আপনার ই-মেইল এড্রেস দিন। সবকিছু করার পর অবশ্যই সেভ করবেন।

    ***নতুন পৃষ্ঠা তৈরি করা***

    আপনারা বিভিন্ন ব্লগে দেখবেন তারা অনেকগুলো পৃষ্ঠা তৈরি করে রাখে। যেমন- টিউনার পেইজের উপরে দেখুন অনেকগুলো পাতা আছে। যেমন- আমাদের কথা, হ্যাকিং ক্লাস, ব্লগবিধি ইত্যাদি। এক্ষেত্রে আপনারও হয়ত দরকার হতে পারে বিভিন্ন পাতা তৈরি করার। যেমন- সূচীপত্র, প্রথম পাতা, সম্পর্কে, টিউটোরিয়াল, বইয়ের লাইব্রেরি ইত্যাদি। এগুলো উদাহরণ দিলাম এই আর কি। আসুন এবার পৃষ্ঠা তৈরি করি….
    প্রথমে আপনার ব্লগের ড্যাসবোর্ডে প্রবেশ করুন। এবার বামপাশের প্যানেল থেকে Pages >>> Add New এ যান। তাহলে নতুন পোষ্ট করার মতো একটি পাতা আসবে। এখানে টাইটেলে আপনি যে পৃষ্ঠা তৈরি করতে চান তার নাম লিখুন। আর আপনার তৈরি করা পাতার মধ্যে কিছু লেখতে চাইলে বর্ণনা অংশে লিখুন। এবার Publish বাটনে ক্লিক করুন। তাহলেই পাতা তৈরি হয়ে যাবে।
    এবার আপনি যদি একটি পাতা অধীন আরও পাতা তৈরি করতে চান। যেমন- আপনি যদি চান “বইয়ের লাইব্রেরি” পাতার অধীনে “ডাঃ জাকির নায়েকের বই” নামে আরেকটি পাতা দিবেন। তাহলে ডানপাশে লক্ষ্য করুন। Page Attributes নামে একটি অপশন আছে এখানে রয়েছে তিনটি সাব অপশন Parent, Template এবং Order. এখান থেকে Parent এ ক্লিক করুন। তাহলে আপনার ব্লগের সবগুলো পাতা দেখাবে। এখান থেকে আপনি যে মূল পাতার অধীনে আপনার পাতাটি রাখতে চান তা নির্বাচন করুন। যেমন- আমরা “ডাঃ জাকির নায়েকের বই” এই পাতাটি “বইয়ের লাইব্রেরি” পাতার অধীনে রাখব। তাই, নতুন একটি পাতা নিন এবার টাইটেলে “ডাঃ জাকির নায়েকের বই” লিখুন এবং Parent থেকে “বইয়ের লাইব্রেরি” নির্বাচন করুন। এবার Publish বাটনে ক্লিক করুন। এবার আপনার ব্লগে গিয়ে দেখুন “বইয়ের লাইব্রেরি” পাতার অধীনে মেনু আকারে “ডাঃ জাকির নায়েকের বই” পাতা সাবমেনুতে চলে এসেছে।

    ***নতুন পোষ্ট করা***

    কিভাবে নতুন পোষ্ট করা যায় আমি এর আগেই দেখিয়েছি। তাই এখানে আর দেই নি, কষ্ট করে দেখে নিন।
    আজ তাহলে এই পর্যন্তই। আশা করি সৃষ্টিকর্তা ভাল রাখলে ও সামনের পর্বে আবারও দেখা হবে, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ হাফেজ………..

    ***ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি করুন ব্লগ::৪র্থ পর্ব

    ***বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম***

    আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে আমার ভাল লাগা ভালবাসা দিয়ে আজকের টিউন শুরু করছে। কেমন আছেন সবাই? আশা করি মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে খুবই ভাল আছেন। আপনি ভাল থাকবেন ও আপনার পাশের লোকটিকেও ভাল রাখবেন। আজ আবারও আপনাদের সামনে হাজির হয়েছে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ তৈরির ৪র্থ পর্ব নিয়ে। আজ আপনাদের সাথে আলোচনা করব কিভাবে আপনি আপনার ব্লগের নাম দিবেন, আপনার প্রোপাইল পরিবর্তন করবেন, হেডারে নাম ও ছবি যোগ করবেন। চলুন ধারাবাহিক টিউনের আজকের ৪র্থ পর্বে।

    ***প্রোফাইল পরিবর্তন করা***

    আমরা যারা বিভিন্ন ব্লগে লেখালেখি করি তারা তাদের সুবিধা মতো ব্লগের তাদের প্রোপাইল পরিবর্তন করে থাকেন। ওখানে আপনারা যেভাবে পরিবর্তন করেন এখানেও অনুরূপ। তবুও হালকা বলি।
    প্রথমে আপনার ড্যাসবোর্ডে প্রবেশ করুন। এবার ড্যাসবোর্ডের ডানদিকের উপরে দেখুন একটি অপশন আছে, এখানে দেখুন আপনি যখন ব্লগ রেজিষ্ট্রেশন করেছিলেন তখন যে নাম দিয়েছেন, সে নাম দেখতে পাবেন। উক্ত নামের উপর ক্লিক করুন, তাহলে আপনার প্রোপাইলে চলে যাবে। অথবা, ড্যাসবোর্ডের বামপাশের প্যানেল থেকে নিচের দিকের অপশন থেকে Users >>> My Profile এ ক্লিক করুন। এভার এখান থেকে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করে নিন। যেমন- আপনার নাম, ব্লগে আপনার কি নাম দেখাবে, আপনার যদি কোন ওয়েবসাইট থাকে ইত্যাদি। তারপর প্রোপাইলের পাতার নিচের দিকে যান, দেখবেন Update Profile নামে একটি বাটন আছে, এতে ক্লিক করুন, তাহলে আপনার প্রোপাইলের পরিবর্তন সংরক্ষতি হবে।
    এবার আসুন গ্রাভাটারের ছবি। আপনারা একটু লক্ষ্য করলেই দেখবে যে, টিউনার পেইজে যারা টিউনার তাদের প্রত্যেকেরই একটি করে ছবি আছে। এটি হল গ্রাভ্যাটরের ছবি। এটি মূলত ই-মেইল একাউন্টের বিপরীতে ছবিটি সেভ হয়। আপনি যে ই-মেইলের উপর এটি ব্যবহার করবেন, সে ই-মেইল দিয়ে যেখানেই লিখবেন, সেখানেই আপনার দেয়া ছবিটি চলে আসবে। এবার আসুন কিভাবে গ্রাভ্যাটারে ছবি যুক্ত করবেন। প্রোপাইল পরিবর্তনের পাতার ডানপাশে ছবি আপলোড করার একটি বক্স আছে, এখানে ছবি নির্বাচন করে দিন, তাহলেই ছবি যুক্ত হয়ে যাবে আপনার ইমেইলের সাথে। তবে এটি আপনি গ্রাভ্যাটারের ওয়েবসাইট থেকেও করতে পারবেন (gravatar.com)। আর কিভাবে গ্রাভ্যাটরে ছবি আপলোড করতে হয়, তার উপর এর আগেও টিউন হয়েছে। কষ্ট করে একটু খুঁজে নিন।

    ***আপনার ব্লগকে তৈরি করুন মোবাইল সাইটে***

    আপনি যে ব্লগ তৈরি করছেন এটি পড়তে পারবে যারা কম্পিউটার থেকে আপনার ব্লগে ভিজিট করতে আসবে তারা। কিন্ত আপনি ইচ্ছা করলে সাইটটি মোবাইল থেকেও ভিজিট করতে পারবেন। এই জন্য আপনাকে একটু কাজ করতে হবে। তাহলে আপনি চলে যান আপনার ব্লগের ড্যাসবোর্ডে। এবার বামপাশের প্যানেল থেকে Appearance >>> Extras এ যান।
    • Display a mobile theme when this blog is viewed with a mobile browser
    এটি নির্বাচন করলে আপনার ব্লগটি মোবাই্ল খেকে কেউ ভিজিট করলে এটি অটোমেটিক ভাবে মোবাইল থিমে পরিণত হবে। ফলে ভিজিটরের জন্য সুবিধাও হবে আপনার ব্লগটি দেখতে।

    ***পোষ্টকে সংক্ষিপ্ত করা***

    আপনার আমার এই টিউনটি পড়ছেন অনেকেই। একটু লক্ষ্য করুন প্রথম পাতার দিকে। ওখানে কি আমার এই পোষ্টের সম্পূর্ণ অংশ দেখা যায়? যায় না, দেখা যায় মাত্র টিউনের কিছু অংশ। পুরো টিউন পড়তে হলে আপনাকে করতে হবে টিউনের শিরোনামে ক্লিক, তাই না? এটিই হল পোষ্ট সংক্ষিপ্তকরণ। এবার আপনি আপনার ব্লগে একটি টিউন করুন, দেখবেন টিউনটি আপনার ব্লগের প্রথম পাতায় সম্পূর্ণ আকারে দেখা যাচ্ছে। তাই এখন এটিকে প্রথম পাতা সংক্ষিপ্ত করা দরকার, কি বলেন, ঠিক না? জ্বী, ঠিক। তাহলে আপনি চলে যান আপনার ব্লগের ড্যাসবোর্ডে। এবার বামপাশের প্যানেল থেকে Appearance >>> Theme Options এ যান। নিচের দিকে দেখুন একটি অপশ আছে Display Full Post Or Excerpt. এখান আছে আরও দুটি অপশন যেখানে রয়েছে Full Post ও Excerpt. আপনি যদি Full Post নির্বাচন করেন তাহলে আপনার পোষ্টটি প্রথম পাতায় সম্পূর্ণ আকারে দেখাবে। আর যদি আপনি Excerpt নির্বাচন করেন তাহলে আপনার ব্লগের প্রথম পাতায় পোষ্টটি সংক্ষিপ্ত আকারে দেখাবে।

    **থিমের অপশন পরিবর্তন**

    থিমের বিভিন্ন অপশন পরিবর্তনের জন্য আপনি প্রথমে Appearance >>> Theme Options এ যান। এবার দেখুন….
    • Default Layout >>> আপনার থিমটি দেখতে কি রকম হবে তা নির্বাচন করুন। এখানে ৩-৪টি লেআউট আছে। আপনার যেটি পচন্দ সেটি নির্বাচন করুন।
    • Layout Width >>> আপনার ব্লগটি আপনার ব্লগ ভিজিটরের কাছে কেমন হবে তা এখান থেকে নির্বাচন করুন। এখান থেকে যদি আপনি Fixed নির্বাচন করেন, তাহলে আপনার ব্লগটি ভিজিটরে কম্পিউটারের মাপেই দেখাবে। আর যদি Width নির্বাচন করেন তাহলে আপনি যে সাইজ দিবেন সে অনুসারে ভিজিটরের কম্পিউটারে দেখাবে।

    **ব্লগ শিরোনাম ও ব্লগের হেডারে ছবি যোগ করা**

    প্রত্যেকটি ব্লগের একটি করে শিরোনাম বা টাইটেল থাকে যেমন- আমাদের এই সাইটের শিরোনাম হল “টিউনার পেইজ”। এই শিরোনামের সাথের আরেকটি অংশ হল সাইটটি কিসের উপর তার এক লাইনের বর্ণনা। যেমন- টিউনার পেইজের ছোট্ট বর্ণনাটি হল “The Ultimate Path of The Bangla Technology”। তাই আপনার ব্লগেরও এমনি একটি শিরোনাম দিতে হবে। তবে শিরোনাম বাছাইয়ের ক্ষেত্রে চিন্তা করবেন আপনি কি ধরনের ব্লগ দিচ্ছেন সে হিসেবে ব্লগের নাম নির্বাচন করুন। যেমন- আমি একটি ছোট্ট ব্লগ তৈরি করেছিলাম, এটির লিংক ছিল- http://untweeter.wordpress.com এর শিরোনাম ছিল “সর্বশেষ প্রযুক্তি টুইট”, এর সাব টাইটেল ছিল “প্রযুক্তির সর্বশেষ আপডেটসহ সকল ধরনের খবরের কেন্দ্রবিন্দু”। তাই আপনাকে এমন ভাবে আপনার ব্লগের শিরোনাম দিতে হবে যাতে ভিজিটররা আপনার সাইটের প্রতি আকৃষ্ট হয়।
    এখন আপনার সাইটের নাম ও সাবটাইটেল দেয়ার জন্য আপনার ড্যাসবোর্ডে যান। এবার বামপাশের প্যানেল থেকে Settings >>> General এ যান। এবার এখান থেকে Site Title এ আপনার ব্লগের নাম দিন ও Tagline এ আপনার ব্লগটি কিসের তার উপর ভিত্তি করে একটি ট্যাগ লাইন দিন। এবার আপনার ব্লগের একটি আইকন নির্বাচন করুন। এবার ব্লগের আইকন দিতে এই পাতার ডান পাশে দেখবেন একটি ইমেজ বক্স আছে। এখান থেকে আপনার ব্লগের আইকন আপলোড করুন। তাহলেই আইকন সেট হয়ে যাবে।
    এবার আসুন আপনার ব্লগের হেডারের ছবি যোগ করা। আপনি যদি আপনার ব্লগের জন্য একটি হেডার বা ছবি দিতে চান তাহলে Appearance >>> Header এ যান। আপনি এখান থেকে আপনার ব্লগের জন্য একটি ছবি যোগ, ব্লগের টাইটেলের রং পরিবর্তন ও ইচ্ছা করলে নাম সরিয়ে ফেলার কাজ করতে পারবেন।
    প্রথমে আসুন হেডারে ছবি যোগ করি। আপনি আপনার হেডারের জন্য একটি ছবি নির্বাচন করুন, যার সাইজ হবে ৯৮০*১৪৮ পিক্সেল। এবার Upload Image থেকে আপনার আপনার ছবি আপলোড করুন। তবে আপনি ইচ্ছা করলে অনেকগুলো আপলোড করে হেডার ইমেজকে Random করে দিতে পারেন। তাহলে আপনার হেডার ইমেজ কিছুক্ষণ পরপর পরিবর্তন হবে। তবে আপনি ইচ্ছা করলে হেডার ইমেজ বাদ দিতে পারন। এজন্য Remove Header Image এ ক্লিক করুন।
    এবার আসুন আপনার ব্লগের শিরোনামের রং পরিবর্তনে। আপনি যদি আপনার ব্লগ শিরোনামের রং পরিবর্তন করতে চান তাহলে একাই পাতার নিচের দিকে দেখুন Text Color আছে। এবার Select a Color এ আপনার পচন্দের রং নির্বাচন করুন। উপরে Preview তে দেখতে পাবেন আপনার রংয়ের পরিবর্তন। আর আপনি যদি আপনার ব্লগের নাম দেখাতে না চান, তাহলে Display Text >>> No নির্বাচন করুন, শিরোনাম ব্লগে দেখাতে Yes নির্বাচন করুন। সবকিছু পরিবর্তন করার পর অবশ্যই সেভ করবেন। এজন্য নিচের Save Changes বাটনে ক্লিক করুন।
    সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানিয়ে আজকের টিউন শেষ করছি। আগামি পর্বে দেখা হবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ হাফেজ…….

    ***ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি করুন ব্লগ::৩য় পর্ব


    **বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম**

    আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে খুবই ভাল আছেন। আপনি ভাল থাকবেন ও আপনার পাশের লোকটিকেও ভাল রাখবেন। আজ আবারও আপনাদের সামনে হাজির হয়েছে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ তৈরির ৩য় পর্ব নিয়ে। আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব কীভাবে ওয়ার্ডপ্রেসে আপনি থিম ও উইগেট নির্বাচন করবেন। 

    ***থিম নির্বাচন**

    আপনি ওয়েব ব্লগ তৈরি করবেন আর তার একটি সুন্দর থিম দিবেন না? জ্বী, টিউনার পেইজের দিকে তাকান একটি সুন্দর একটি থিম দিয়েছে আপনাদের। এই থিমটি প্রেমিয়াম মানে টাকা খরচ করে কেনা হয়েছে। কিন্তু কয়জনের সামর্থ্য আছে থিম কেনার। আর যেহেতু আপনি একটি ফ্রি ব্লগ তৈরি করবেন তাই থিমও ফ্রি নিন। ওয়ার্ডপ্রেস আপনাদের মতো যারা ফ্রি ব্যবহারকারিদের কথা চিন্তা করে রেখেছে ১১৫++ ফ্রি থিমের কালেকশান। আপনার যেটি ইচ্ছা সেটা নির্বাচন করে ব্যবহার করতে পারবেন।
    এবার থিম নির্বাচনের পালা। প্রখমে ড্যাসবোর্ড যান। এবার বামপাশের প্যানেল থেকে Appearance >>> Themes নির্বাচন করুন। তাহলে আপনার সামনে অনেকগুলো থিম চলে আসবে। এবার আপনার পচ্নদ অনুযায়ী থিম নির্বাচন করুন। আপনার যে থিমটি পচন্দ হয় সে থিমের নিচে দেখবেন দুটি বাটন আছে Active এবং Preview. আপনি থিম নির্বাচন করার আগে Preview বাটনে ক্লিক করলে আপনার থিম দেখতে কেমন হবে তা দেখাবে, পচন্দ হলে Active বাটনে ক্লিক করুন। তাহলেই আপনার ব্লগের থিম সিলেক্ট হয়ে যাবে। থিম নির্বাচন মোটামুটি এই রকমই। আপনি ইচ্ছা করলে পরেও থিম পরিবর্তন করতে পারবেন। ধরি, আপনি Fusion থিমটি নির্বাচন করেছেন।

    ***উইগেট নির্বাচন***

    এবার আপনারা একটি লক্ষ্য করুন টিউনার পেইজের প্রথম পাতার বাম দিকে অনেকগুলো উইগেট আছে। যেমন- চেইন টিউনের ২টি উইগেট, ক্যালেন্ডার, সার্চ বক্স, টিউন সাবইস্ক্রাইব ইত্যাদি। এগুলোর সবগুলোই উইগেট। ব্লগকে সাজাতে ও ব্লগে কাজ করার সুবিধার্থে এগুলো ব্যবহার করা হয়।
    ওয়ার্ডপ্রেস অনেকগুলো ডিফল্ট উইগেট রয়েছে। তবে আপনি ইচ্ছা করলে HTML কোড দিয়ে আরও উইগেট তৈরি করতে পারেন। উইগেট নির্বাচনের জন্য Appearance >>> Widgets এ যান। ডান পাশে দেখুন অনেকগুলো উইগেট আছে। ধরি, আপনি Fusion থিমটি নির্বাচন করেছেন। তাহলে আপনি নিচের মতো একটি পাতা দেখতে পাবেন।
    টিউনার পেইজের প্রথম পাতায় দেখুন ডান পাশে যে উইগেট প্যানেল আছে এটি হল Primary Widget Area আর নিচের দিকে যে উইগেট প্যানেল আছে এটি হল Footer Widget Area. এছাড়াও আপনারা অনেক ব্লগে দেখতে পাবেন দুটি উইগেট প্যানেল থাকে ডানে বা বামে। এগুলোর মধ্যে যেটি প্রধান সেটি হল Primary Widget Area, এরপর হল Secondary Widget Area এর বেশি হলে আরও নাম থাকবে। আরেকটি প্যানেল দেখবেন আপনার ব্লগের উইগেট অংশে তাহল Available Widgets. এই অংশ থেকে আপনার যে উইগেটটি প্রয়োজন তা ড্রাগ করে মানে মাউস চেপে ধরে Primary Widget Area/ Secondary Widget Area/ Footer Widget Area যে কোন প্যানেলের নিচে ছেড়ে দিলেই আপনার ব্লগে চলে আসবে।

    ***এবার কয়েকটি উইগেটের বর্ণনা নিচে দিলাম***

    • Blog Subscriptions >> আপনার ব্লগে দেয়া কোন নতুন পোষ্টের স্বয়ংক্রিয় আপডেট পেতে এটি দিতে পারেন। এটি আপনি টিউনার পেইজের প্রথম দিকেই দেখেন।
    • Blog Stats >> আপনার ব্লগে কতজন ভিজিটর এসেছেন, তা এখান থেকে জানতে পারবেন।
    • Calender >> ক্যালন্ডার হলে তারিখে বিন্যাস। এটি ভিজিটরসহ আপনার সুবিধার্থে দিতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি কোন তারিখে কোন কোন পোষ্ট করেছেন তারও এখান থেকে দেখা যাবে।
    • Categories >> ক্যাটাগরি বা বিভাগ। আমরা বিভিন্ন পোষ্ট করে থাকি, কোন পোষ্ট কোন ক্যাটাগরির তারজন্য এটি ব্যবহার করা হয়। টিউনার পেইজে এই রকম প্রায় ৩৩টি বিভাগ রয়েছে। এটি সারিবদ্ধ ভাবে থাকে।
    • Category Cloud >> ক্যাটাগরির মেঘ, আপনি ক্যাটাগরি বা বিভাগ উপরেরটা বা এটা যে কোন একটি নির্বাচন করতে পারেন। এটি নির্বাচন করলে আপনার ক্যাটাগরিগুলো মেঘের মতো দেখতে পারবেন।
    • Flickr >> ইয়াহুতে ছবি সংরক্ষণের একটি বিভাগ আছে এর নাম Flickr. আপনার যদি Flickr এ ছবি থাকে তাহলে এখানে লিংক দিলে আপনার ছবিগুলো এখানে দেখাবে।
    • Gravatar >> গ্যাভাটারে আপনার যে ছবি ও তার উপর যে বর্ণনা আছে তা এখানে দেখাবে।
    • Image >> আপনি যদি কোন নিদিষ্ট ছবি দেখাতে চান, তাহলে এখানে তার লিংক, নাম ও বর্ণনা দিলে তা আপনার ব্লগে দেখাবে।
    • Links >> আপনার পচন্দনীয় যে ওয়েবসাইট সেগুলোর লিংক দিতে পারেন বা আপনার অন্য ব্লগগুলোর লিংক দিতে পারেন।
    • Meta >> আপনার ড্যাসবোর্ড দ্রুত আসার জন্য এটি ব্যবহার করতে পারেন।
    • Pages >> আপনার ব্লগে কয়টি পাতা আছে ও সেগুলোর লিংকসহ নাম দেখাবে।
    • Recent Comments >> আপনার ব্লগে সর্বশেষ কে কে মন্তব্য করেছেন তার নাম, ছবি ও কোথায় মন্তব্য করেছে, তা দেখাবে। টিউনার পেইজের নিচের দিকে দেখুন এমনি একটি উইগেট আছে।
    • Recent Posts >> সর্বশেষ আপনি কি কি পোষ্ট করেছে তার লিষ্ট, শিরোনামসহ লিংক দেখাবে। টিউনার পেইজের নিচের দিকে দেখেন।
    • Search >> আপনার ব্লগের কোন তথ্য ভিজিটররা দ্রুত পেতে এটি ব্যবহার করুন।
    • Text >> কোন লেখা দেখানোর জন্য বা HTML Editor এর মাধ্যমে যে কোন কিছু দিতে পারেন।
    • Top Clicks >> আপনার ব্লগে ভিজিটররা যে যে লিংকে বেশি ক্লিক করেছে সেগুলো দেখতে পারবেন। এগুলো দৈনিক হিসেবে।
    • Top Posts & Pages >> সবচেয়ে বেশি দেখা পোষ্ট ও পাতাগুলো দেখবে (এগুলো দৈনিক হিসেবে)।
    • Twitter >> আপনার যদি টুইটার একাউন্ট থাকে, তাহলে তার লিংক দিলে এখানে সর্বশেষ আপডেটগুলো দেখাবে।
    সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন আর চেষ্টা করুন ফ্রি এই ছোট্ট ব্লগ তৈর করতে। আল্লাহ হাফেজ……..