অনেক পোস্ট দেখি যে, কোন স্কিল নেই, তারা ওডেস্কে কাজ করতে আগ্রহি।
আসলে অনেকের ধারনা ওডেস্ক এ গেলে ই কাজ করা যাবে। যারা নতুন নিজের দক্ষতা কে যে ওডেস্কে ব্যাবহার করে কাজ করতে হবে, তা অনেকেই জানেন না। আর অনেকে ওডেস্কে একাউন্ট করে বেশ কিছুদিন গুতাগুতি করে এসে পোস্ট দেন যে এখন কি করা যাবে? কিভাবে কাজ করবে?
কি কাজ জানেন?
কাজ তো জানি না।
তো কিভাবে কাজ করবেন?
ওডেস্ক দিয়ে।
ওডেস্ক হচ্ছে একটা মার্কেট প্লেস। এখানে জব পাওয়া যাবে , জব দেয়া যাবে।
যেমন অনেকে বিডি জবস এর সাথে পরিচিত। যেখানে বাংলাদেশের অনেক কাজ পাওয়া যায়। কোম্পানি গুলো অনেক জব পোস্ট করে । ওডেস্ক তেমনি। কিন্তু এর মান অনেক উন্নত - আন্তর্জাতিক। আর সারা পৃথিবীর অনেক বড় বড় কোম্পানি ও এখানে জব পোস্ট করে। তাই অবশ্যই আপনার দক্ষতা থাকতে হবে - এবং যদি হয় আন্তর্জাতিক মানের - তবে আপনি বেশ ভালো করতে পারবেন।
কারন সারা পৃথিবী থেকে বেশ বড় বড় কোম্পানি জব পোস্ট করে আর একি ভাবে আন্তর্জাতিক মানের কনট্রাক্টর রা কাজের জন্য বিড করে বা এপ্লাই করে।
তো আশা করি বুঝতে পারছেন আপনি কোন না কোন স্কিল তৈরি করতে হবে। যেমন ওয়েব ডেভেলপার, একাউন্টিং, গ্রাফিক ডিজাইন, ইমেইল মার্কেটিং ইত্যাদি।
আসলে হ্যাঁ। এমন অনেক অনেক কাজ আছে যা আমরা জানি ই না। ইন্টারনেট আসার পর থেকে ওয়েব বেসড অনেক কাজ তৈরি হয়েছে। আরো হবে। বাংলাদেশে এস ই ও বা গ্রাফিক ডিজাইন ইত্যাদি এখন খুব প্রচলিত। আপনি করতে পারেন। কিন্তু যদি নতুন ধরনের কাজ চান, তবে একটু খুজুন। অনেক ভালো স্কিল আছে যার চাহিদা অনেক।
কি কি স্কিল?
১। ওয়েব ডেভেলপার
২। ওয়েব ডিজাইনার
৩। মোবাইল এপ্পপ্লিকেশন ডেভেলপ
৪। এন্ড্রয়েড এপ্পপ্লিকেশন ডেভেলপ
৫। Social Media Marketing
৬। ইমেইল মার্কেটিং
৭। গ্রাফিক ডিজাইন
৮। ওয়েব রিসারস
৯। সফটওয়্যার ডেভেলপিং
১০। রাইটিং
১১। কাস্টমার সাপোর্ট
১২। ভারটুয়াল পি এস
এবং আরো অনেক।
অনেক স্কিল এর ডিমান্ড বেশি (অর্থাৎ ইনকাম বেশি) । কিন্তু তা বেশ সময় দিয়ে শিখতে হয়। ধৈর্যের কিছু পরীক্ষা দিতে হয়। আর কিছু সহজে হয়তো শেখা যাবে কিন্তু চাহিদা কম আর থাকলেও বেশ কম্পিটিশন। কারন এটা সহজ (যেমন ডাটা এন্ট্রি) ।
এবার আপনি সিদ্ধান্ত নিন কি শিখতে চান। সিনিয়ার দের সাথে কন্সাল্ট করুন।
আর এরপর জা লাগবে -
১। ইংরেজির দক্ষতা - অন্তত লিখে যেন মনের ভাব প্রকাশ করতে পারেন এবং পোস্ট দেখে বুঝতে পারেন যে কি লিখা হয়েছে। ব্যাকরণের কিছু ভুল হলে প্রব নেই তবে না হলেই বেটার। আর ভালো হলে তো কথাই নেই। ফিলিপাইন উঠে এসেছে এই কারনেই। ইংরেজীতে দক্ষতা কাজ শেখার সময় লাগবে, আর কাজ শিখে আয় করার সময় তো লাগবেই। তাই এর জন্য ও আপনাকে প্রস্তুত হতে হবে।
২। আপনার নিজের পি সি / ইন্টারনেট
স্কিল বাড়ানোর কোন বয়স নেই। তবে হ্যাঁ। যখন আপনি মার্কেট প্লেস গুলো তে কাজ করতে যাবেন, আপনার বয়স হতে হবে ১৮+।
পাশাপাশি একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার আছে।
আগামি বছরের ভেতর শুনেছি ৬০% ফ্রিলেন্সার যারা বেশ সহজ কাজ গুলো করেন - ঝরে জাবেন। আর কিছু করবেন ধুকে ধুকে। যারা ভালো স্কিল নিয়ে কাজ করছেন, তারা কাজ করে জাবেন দাপটের সাথে।
তথ্য প্রযুক্তির স্রোত বেশ পরিবর্তন শীল। যেমন আগামি বছরের ভেতর এন্ড্রেয়েড এর ইউজার হবে ১ বিলিয়ন।
তাই এখন সময় এসে গেছে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতে নিজেকে সামনে নিয়ে যাবার।
ভালো স্কিল ডেভেলপ করতে হয়তো একটু বেশি সময় যাবে, একটু কস্ট হবে - কিন্তু ফল পাবেন সুদুর প্রসারি। আপনার আজকের পদক্ষেপ - ভবিষ্যতের আপনি।
আসলে অনেকের ধারনা ওডেস্ক এ গেলে ই কাজ করা যাবে। যারা নতুন নিজের দক্ষতা কে যে ওডেস্কে ব্যাবহার করে কাজ করতে হবে, তা অনেকেই জানেন না। আর অনেকে ওডেস্কে একাউন্ট করে বেশ কিছুদিন গুতাগুতি করে এসে পোস্ট দেন যে এখন কি করা যাবে? কিভাবে কাজ করবে?
কি কাজ জানেন?
কাজ তো জানি না।
তো কিভাবে কাজ করবেন?
ওডেস্ক দিয়ে।
ওডেস্ক হচ্ছে একটা মার্কেট প্লেস। এখানে জব পাওয়া যাবে , জব দেয়া যাবে।
যেমন অনেকে বিডি জবস এর সাথে পরিচিত। যেখানে বাংলাদেশের অনেক কাজ পাওয়া যায়। কোম্পানি গুলো অনেক জব পোস্ট করে । ওডেস্ক তেমনি। কিন্তু এর মান অনেক উন্নত - আন্তর্জাতিক। আর সারা পৃথিবীর অনেক বড় বড় কোম্পানি ও এখানে জব পোস্ট করে। তাই অবশ্যই আপনার দক্ষতা থাকতে হবে - এবং যদি হয় আন্তর্জাতিক মানের - তবে আপনি বেশ ভালো করতে পারবেন।
কারন সারা পৃথিবী থেকে বেশ বড় বড় কোম্পানি জব পোস্ট করে আর একি ভাবে আন্তর্জাতিক মানের কনট্রাক্টর রা কাজের জন্য বিড করে বা এপ্লাই করে।
তো আশা করি বুঝতে পারছেন আপনি কোন না কোন স্কিল তৈরি করতে হবে। যেমন ওয়েব ডেভেলপার, একাউন্টিং, গ্রাফিক ডিজাইন, ইমেইল মার্কেটিং ইত্যাদি।
আসলে হ্যাঁ। এমন অনেক অনেক কাজ আছে যা আমরা জানি ই না। ইন্টারনেট আসার পর থেকে ওয়েব বেসড অনেক কাজ তৈরি হয়েছে। আরো হবে। বাংলাদেশে এস ই ও বা গ্রাফিক ডিজাইন ইত্যাদি এখন খুব প্রচলিত। আপনি করতে পারেন। কিন্তু যদি নতুন ধরনের কাজ চান, তবে একটু খুজুন। অনেক ভালো স্কিল আছে যার চাহিদা অনেক।
কি কি স্কিল?
১। ওয়েব ডেভেলপার
২। ওয়েব ডিজাইনার
৩। মোবাইল এপ্পপ্লিকেশন ডেভেলপ
৪। এন্ড্রয়েড এপ্পপ্লিকেশন ডেভেলপ
৫। Social Media Marketing
৬। ইমেইল মার্কেটিং
৭। গ্রাফিক ডিজাইন
৮। ওয়েব রিসারস
৯। সফটওয়্যার ডেভেলপিং
১০। রাইটিং
১১। কাস্টমার সাপোর্ট
১২। ভারটুয়াল পি এস
এবং আরো অনেক।
অনেক স্কিল এর ডিমান্ড বেশি (অর্থাৎ ইনকাম বেশি) । কিন্তু তা বেশ সময় দিয়ে শিখতে হয়। ধৈর্যের কিছু পরীক্ষা দিতে হয়। আর কিছু সহজে হয়তো শেখা যাবে কিন্তু চাহিদা কম আর থাকলেও বেশ কম্পিটিশন। কারন এটা সহজ (যেমন ডাটা এন্ট্রি) ।
এবার আপনি সিদ্ধান্ত নিন কি শিখতে চান। সিনিয়ার দের সাথে কন্সাল্ট করুন।
আর এরপর জা লাগবে -
১। ইংরেজির দক্ষতা - অন্তত লিখে যেন মনের ভাব প্রকাশ করতে পারেন এবং পোস্ট দেখে বুঝতে পারেন যে কি লিখা হয়েছে। ব্যাকরণের কিছু ভুল হলে প্রব নেই তবে না হলেই বেটার। আর ভালো হলে তো কথাই নেই। ফিলিপাইন উঠে এসেছে এই কারনেই। ইংরেজীতে দক্ষতা কাজ শেখার সময় লাগবে, আর কাজ শিখে আয় করার সময় তো লাগবেই। তাই এর জন্য ও আপনাকে প্রস্তুত হতে হবে।
২। আপনার নিজের পি সি / ইন্টারনেট
স্কিল বাড়ানোর কোন বয়স নেই। তবে হ্যাঁ। যখন আপনি মার্কেট প্লেস গুলো তে কাজ করতে যাবেন, আপনার বয়স হতে হবে ১৮+।
পাশাপাশি একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার আছে।
আগামি বছরের ভেতর শুনেছি ৬০% ফ্রিলেন্সার যারা বেশ সহজ কাজ গুলো করেন - ঝরে জাবেন। আর কিছু করবেন ধুকে ধুকে। যারা ভালো স্কিল নিয়ে কাজ করছেন, তারা কাজ করে জাবেন দাপটের সাথে।
তথ্য প্রযুক্তির স্রোত বেশ পরিবর্তন শীল। যেমন আগামি বছরের ভেতর এন্ড্রেয়েড এর ইউজার হবে ১ বিলিয়ন।
তাই এখন সময় এসে গেছে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতে নিজেকে সামনে নিয়ে যাবার।
ভালো স্কিল ডেভেলপ করতে হয়তো একটু বেশি সময় যাবে, একটু কস্ট হবে - কিন্তু ফল পাবেন সুদুর প্রসারি। আপনার আজকের পদক্ষেপ - ভবিষ্যতের আপনি।