Bangladesh Internet Club

***Well Come to all Friends Bangladesh Internet Club***
* টিপস এন্ড টিক্স লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
* টিপস এন্ড টিক্স লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৩

how to create a blog post in blogger

After create new blogger blog then you can ready for publishing but you are not know how to create a new blog post and know any about options of  blogger, so this article is help to you step by step. Blogger is very simple to use for any new blogger. You can befor read how can you create a new blogger blog and then you are ready for blog posting after read this article.First you go in blogger.com and you can see this step
 Blogging
Click on your Blog title and you go on your blog Dashboard.
Now see above options:
New Post: You can create a new blog post.
Overview: See above image on overview screen.
Pages: You can create a new page or edit page setting and contents.
Comments: You can see all comments on your blog and moderate waiting comments. You can stop publish all comments without your permission.
Google+: You can attach your blog with google id and automatic share your new publish post on your google+ id.
Stats: You can see your blog status on worldwide with full information.
Earning: You can add your blog with google Adsense and earn money with your blog.
Layout: You can cgane your blog layout with this option.
Template: You can change your blog design/template setting or add new blog template.
Setting: You can change all blog settings as basic setting, search engine setting and more
Now Click on New post and create a new blog post (ee below Image)
Learn options with number wise
How to Create New Blog post in Blogger Read Tips in Hindi
How to Create New Blog post in Blogger Read Tips in Hindi
1-     Write your blog post title
2-     Publish after create new post
3-     Save your post (automatic saving feature)
4-     See your blog post preview before posting
5-     You can cancel post option and back on overview screen.
6-     You see your blog post on compose mode
7-     You can see your blog post on HTML code
8-     You can use Redo and Undo option as M.S. W. Word. Notepad, word pad etc
9-     You can change font and font size.
10-Change your text in heading or normal text. as M.S. W. Word
11-You can use Bold, Italic, Underline, strikethrough options as as M.S. W. Word
12-You can change text color and text backgroung color as M.S. W. Word
13-You can add Links, Images, Videos on your post and break post
14-You can set alignment of text (as left, center, right) Bullets and numbering, tabs, check spellings and translate your text in some languages
15-You can set Lable for your blog posts
16-You can set schedule of your blog post (automatic set and you too)
17-You can change your blog post link.
18-You can choose locations for your blog post (automatic set and you too)
19-You can see and change some blog post options. (automatic set and you too)
20-Your work area.

কে কে মাছ ধরেছেন গ্রামের পুকুরে


কে কে মাছ ধরেছেন গ্রামের পুকুরে? আপডেট তবে জেনে রাখুন , আপনি যেখানেই পোর্টফোলিও করুন - সেখানে যেন আপনার কন্টাক্ট ইনফরমেশন না থাকে। এই লিঙ্ক কভার লেটার এ ব্যাবহার করলে আপনার সমস্যা হতে পারেন ওডেস্ক। এটা পলিসি ভায়োলেশন। -------------------------------------------------------------------- আচ্ছা বলেন তো টোপ ছাড়া মাছ ধরা যায়? বড়শি ফেলে বসে রইলেন, আর ওদিকে বড়শির মাথায় নাই টোপ - ক্লায়েন্ট ধরবেন কিভাবে? টোপ টা কি??? পোর্টফলিও। খুবই লোভনীয়। কভার লেটার এ ইতিহাস চায় না ক্লায়েনট...চায় দেখতে সে কেমন কাজের কাজী। বুঝিয়ে দিন একটা মাত্র লিঙ্ক দিয়ে। লিঙ্ক এ ক্লিক করা মাত্র আপনি মাছ ধরে ফেলেছেন, জাস্ট টেনে তুলুন...তবে হে, আগডুম বাগডুম পোর্টফলিও র কথা বলছি না, বলছি সাজানো গোছানো ছিমছাম - দুর্দান্ত একটা প্রফেশনাল পোর্টফলিওর কথা। কি কি দিতে পারেন? Project এর নাম দিন। কাজের ছবি দিন। আপনার কাজ বর্ণনা করুন Point wise. oDesk এ যে ফিডব্যাক পেয়েছেন, তার URL দিন। কাজের ending time দিন। আরো দিতে পারেন - আপনার কাজের রেট, বোনাস, ফিডব্যাক কমেন্টস। তো কিভাবে করবেন, আর কভার লেটার এ তা দেবেন? আপনি কোন একটা জায়গায় আপনার কাজ গুলো সাজিয়ে রাখুন। নিজের একটা ওয়েব সাইট হলে তো খুব ই ভালো।না হলে ব্লগ হতে পারে। এটা একদম ফ্রি। না হলে অন্তত কোন একটা ফাইল শেয়ারিং সাইট এ। তবে মনে রাখবেন, ওখানে যেন কোন আপনার কন্টাক্ট ইনফ/ইমেইল ইত্যাদি না থাকে। এটা ওডেস্কের policy violation. ব্লগ তৈরি করা অনেক সহজ। এই যে দেখুন এখানে। ৫ মিনিট লাগবে আপনার - http://www.youtube.com/watch?v=JXiJ6jY3qB4 এটা একদম ফ্রি। এছাড়াও আপনি এখানেও করতে পারেন - http://www.viewbook.com/tour/ ৩০ দিন ফ্রি। এছাড়া অনলাইনে বেশ কিছু সাইট আছে যেখানে পোর্ট ফোলিও রাখা যায়। আপনাকে ওয়েব সাইট বানাতে হবে না। এখানে রাখতে পারেন। পোর্টফলিও আপলোড করার সাইট ১- http://www.portfoliopen.com/ ২-http://foliohd.com/ ৩- https://www.coroflot.com/signup ৪-http://shownd.com/ মাছ ধরুন পোর্টফলিও দিয়ে - বুঝলেন তো?

বুধবার, ১১ জুলাই, ২০১২

নির্ণয় করুন ল্যাপটপ-ব্যাটারীর চার্জিং দক্ষতা নিজের হাতে

googleb74d12566e23c282
ব্যাটারী সমস্যা ল্যাপটপের একটি অন্যতম আসুবিধা ।ব্যাটারীর ভাল চার্জিং পরিস্হিতি অবশ্যই একটি ভাল ল্যাপটপের গুন ।প্রথম অবস্হায় ল্যাপটপের ব্যাটারী গুলি ভাল ব্যাকআপ দিলেও ,কিছুদিন পর থেকেই তার পরিমান প্রথমের মত আর পাওয়া যায় না ।এর প্রধান কারন হল ব্যাটারীর চার্জিং দক্ষতা কমে যাওয়া ফলসরূপ ব্যাটারী সম্পূর্ণরূপে চার্জ হয় না ।খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাটারী বারে সম্পূর্ণ চার্জ প্রদশিত হয় ।আর ব্যাটারীর অবস্হা ক্রমশ খারাপ হতে থাকে ।প্রথম দিক থেকেই যদি এ-ব্যাপারটা খেয়াল রাখা সম্ভব হয় তবে অবশ্য এই পরিস্হিতি এড়ানো যায় ।ব্যাটারীর পরিস্হিতি নির্ধায়ক হিসেবে অনেকেই অনেক তৃতীয় পক্ষের সফটওয়ার ব্যবহার করে থাকে ,বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই সেগুলি কিন্তু ভার্চুয়াল স্ট্যাটাস প্রদর্শন করে। আসুন দেখে নেই কি করে কোন সফটওয়ার ছাড়াই ল্যাপটপ ব্যাটারীর চার্জিং দক্ষতা নির্ণয় করা যায় ।
এক্ষেত্রে আমাদের সাহায্য করবে একটি Command যা হল powercfg ।
আপনাকে যা করতে হবে:-
১.উন্ডোজের সার্চ অপশনে গিয়ে লিখুন CMD , cmd শীর্ষক নামটি পেলে সেটিতে ডান ক্লিক করে “Run As Administrator”-তে গিয়ে বাম ক্লিক করুন ।
২.CMD প্রোগ্রামটি Administrator হিসেবে চালানোর পর তাতে লিখুন powercfg -energy আর Enter বটনটি চাপুন ।powercfg নির্ণয় করুন ল্যাপটপ ব্যাটারীর চার্জিং দক্ষতা নিজের হাতে
powercfg1 নির্ণয় করুন ল্যাপটপ ব্যাটারীর চার্জিং দক্ষতা নিজের হাতে৩.ষাট সেকেন্ড পরে কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের windows/system32-তে Energy-report.html বলে যে ফাইলটি তৈরি হয়েছে সেটি খুলুন ।
৪.এরপর Browser-এ Scrolling-এর মাধ্যমে নিচের দিকে নামুন দেখুন একস্হানে দেখতে পাবেন Battery:Battery Information তার নিচে লক্ষ্য করুন ।powercfg2 নির্ণয় করুন ল্যাপটপ ব্যাটারীর চার্জিং দক্ষতা নিজের হাতে
৫.চার্জিং দক্ষতা নির্ণয়ের জন্য Last Full Charge-কে Design Capacity দিয়ে ভাগ করুন আর প্রাপ্ত মানকে 100 দিয়ে গুন করুন তাহলেই শতকরা আকারে ব্যাটারীর চার্জিং দক্ষতা পেয়ে যাবেন ।অর্থাত্‍ চিত্রানুযায়ি 45340/47520=0.9541*100=95.41%

কী বোর্ড এর ফাংশান কী গুলোর কাজ

googleb74d12566e23c282
আমাদের কী বোর্ডের উপরের ইকে অনেক গুলো f1 , f2 টাইপের কী থাকে , যেগুলো দিয়ে আমরা সহজেই অনেক গুলো কাজ অনায়াসেই করতে পারি
তাহলে এগুলোর ব্যাবহার গুলো দেখেই নিই

F1 Key

F1 : সহায়তাকারী কি হিসেবে ব্যবহূত হয়।

F2 Key

F2 : সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারের নাম বদলের (রিনেম) জন্য ব্যবহূত হয়।
Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ফাইল খোলা হয়।
Ctrl+F2 চেপে ওয়ার্ডে প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা যায়।

F3 Key

F3: এটি চাপলেমাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়।
Shift+F3 চেপে ওয়ার্ডের লেখা বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ দিয়ে শুরু ইত্যাদি কাজ করা হয়।

F4 Key

F4 : ওয়ার্ডের last action performed আবার (Repeat) করা যায় এ কি চেপে।
Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয়।

F5 Key

F5 : মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি Refresh করা হয় F5 চেপে। পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো শুরু করা যায়। ওয়ার্ডের find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়।

F6 Key

F6 : এটা দিয়ে মাউস কারসারকে ওয়েব ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেসবার) নিয়ে যাওয়া হয়।
Ctrl+Shift+F6 চেপে ওয়ার্ডে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়।

F7 Key

F7 : ওয়ার্ডে লেখার বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয় এ কি চেপে। ফায়ারফক্সের Caret browsing চালু করা যায়।
Shift+F7 চেপে ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার অভিধান চালু করা হয়।

F8 Key

F8 : অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কি। সাধারণত উইন্ডোজ Safe Mode-এ চালাতে এটি চাপতে হয়।

F9 Key

F9 : কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০-এর মেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায় এই কি দিয়ে।

F10 Key

F10 : ওয়েব ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয় এ কি চেপে।
Shift+F10 চেপে কোনো নির্বাচিত লেখা বা সংযুক্তি, লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়।

F11 Key

F11: ওয়েব ব্রাউজার পর্দাজুড়ে দেখা যায় ।

F12 Key

F12 : ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো খোলা হয় এ কি চেপে।
Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফাইল সেভ করা হয়। এবং Ctrl+Shift+F12 চেপে ওয়ার্ড ফাইল প্রিন্ট করা হয়।

পিসিতে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর পাসওয়ার্ড নিয়ে সমস্যা

googleb74d12566e23c282
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই ? আশা করি মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে সবাই ভাল আছেন। আর ভালো থাকেন এই কামনা করি (আমীন)আজ আপনাদের সাথে একটি ছোট দরকারি টিপস শেয়ার করব , বাসায় বা অফিসের কম্পিউটারে নিরাপত্তার জন্য অনেক সময় একাধিক ইউজার থাকে। লিমিটেড ইউজারে কোনো সফটওয়্যার যেমন ইনস্টল করা যায় না তেমনি অনেক কিছুই পরিবর্তন করা যায় না। যদি কোনো কারণে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভের পাসওয়ার্ড ভুলে যান তাহলে সে ক্ষেত্রে বেশ বিপাকে পড়তে হয়। হয়তোবা নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করারও প্রয়োজন হতে পারে। এমতাবস্থায় আপনি যদি লিমিটেড ইউজার ব্যবহার করেন তবে সহজেই লিমিটেড ইউজারের মাধ্যমে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে বা নতুন ইউজার খুলতে অথবা বর্তমান লিমিটেড ইউজারকে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য স্টার্ট ম্যানুতে ক্লিক করে (রানে গিয়ে Ctrl+ R চেপে cmd লিখে এন্টার করলে) নিচের পদ্ধতি অবলম্বন করুন।
cd লিখে এন্টার করুন,
c: লিখে এন্টার করুন,
cd windowssystem32 লিখে এন্টার করুন,
copy logon.scr logon.old লিখে এন্টার করুন,
copy cmd.exe logon.scr লিখে এন্টার করুন।
এছাড়াও সরাসরি উইন্ডোজের সিস্টেম৩২ ফোল্ডারে ঢুকে logon.scr ফাইলকে যেকোনো নামে রিনেম করে আবার cmd. বীব ফাইলকে logon.scr নামে রিনেম করতে পারেন। এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন এবং কম্পিউটার লগঅন না করে অপেক্ষা করুন তাহলে নির্দিষ্ট সময় পরে স্ক্রিন সেভারের ওয়েট টাইম) স্ক্রিন সেভারের পরিবর্তে কমান্ড প্রোম্পট খুলবে। যদি এই পদ্ধতিতে কমান্ড প্রোম্পট না খোলে তাহলে বিকল্প হিসেবে কমান্ড প্রোম্পট খুলে নিচের পদ্ধতি অবলম্বন করুন। 
cd লিখে এন্টার করুন,
c: লিখে এন্টার করুন,
cd windowssystem32 লিখে এন্টার করুন,
copy sethc.exe sethc.old লিখে এন্টার করুন,
copy sethc.exe sethc.old বীব লিখে এন্টার করুন।
এছাড়াও সরাসরি উইন্ডোজের সিস্টেম৩২ ফোল্ডারে sethc.exe বীব ফাইলকে রিনেম করে আবার cmd.exe বীব ফাইলকেsethc.exe বীব নামে রিনেম করুন। এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন এবং কম্পিউটার লগঅন না করে শিফট (Shift) কি পাঁচবার চাপুন তাহলে কমান্ড প্রোম্পট খুলবে।
এখন অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে হবঃnet user administrator ২০০৭ লিখুন তাহলে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন হয়ে ২০০৭ হয়ে যাবে।
আর আপনি যদি পাসওয়ার্ড পরিবর্তন না করে নতুন ইউজার খুলতে চান তাহলে Mishu/add লিখে এন্টার করুন তাহলে Mishu নামে নতুন একটি ইউজার তৈরি হবে। এবার Mishu ইউজারকে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ হিসেবে ব্যবহার করতে হলে local group administrator Mishu/ add লিখুন এবং এন্টার করুন। তাহলে আপনার বর্তমান ইউজার (Mishu) অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। একইভাবে বর্তমান ব্যবহার করা যে কোনো লিমিটেড ইউজারকে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
লগইন করার সময় কমান্ড প্রোম্পট আসলে control userpassword2 লিখে এন্টার করলে ইউজার অ্যাকাউন্টস আসবে যেখান থেকে সহজেই পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা বা ইউজার তৈরি করা যাবে।
আর nusrmgr.cp1 লিখে এন্টার করলে ইউজার অ্যাকাউন্টস ম্যানেজমেন্ট আসবে এবং lusrmgr.msc লিখে এন্টার করলে লোকাল ইউজারস এন্ড গ্রুপ আসবে যেখান থেকেও ইউজার তৈরি বা পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা যাবে। এছাড়াও কমান্ড প্রোম্পট শুধু control লিখে এন্টার করলে ইউজার কন্ট্রোল প্যানেল খুলবে।
ভাল লাগুক আর খারাপই লাগুক কমেন্ট করতে ভুবেন  না ,কারন আপনারা কমেন্ট করলে 

পোস্ট করলে উৎসাহ পাই , কোন ভুল ক্রুতি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ।PC Doctor Facebook link

Backup রাখুন খুব সহজে

googleb74d12566e23c282
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই ?
আশা করি মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে সবাই ভাল আছেন। আর ভালো থাকেন এই কামনা করি (আমীন)
আজ আপনাদের সাথে একটি ছোট টিপস শেয়ার করব , আমারা  অনেকেই ফায়ারফক্স ইউস করে থাকি  , অনেক সময় আমাদের  ব্রাউজার হিসট্রি / ওয়েব পেজ বেক আপ করে রাখার প্রয়োজন হয়, এই সফটওয়্যারটি দিয়ে Firefox-এর Add-ons, bookmarks, settings  সব Backup করে Backup File Save করে রাখা যাবে। প্রে যে কন সময় এই সফটওয়্যার দিয়ে ওই Backup File-এর মধ্য থেকে সব Restore করা যাবে। মনে হয় সবার অনেক কাজে আসবে।
Download Here 
আজ এ পর্যন্তই , আপনারা সবাই ভাল থাকেন এই কামনা করি।

৬ টিরও বেশী কাজ করুন একটি সফট্ওয়্যার দিয়ে

googleb74d12566e23c282
আপনারা সকলে কেমন আছেন। আশা করি ভাল আছেন। আজ আমি আপনাদের খুব সুন্দর একটি সফট্ওয়ার এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। যদিও আপনারা অনেকেই হয়তো এটি আগে থেকেই ব্যবহার করছেন। এই সফট্ওয়ারটি দিয়ে আপনি আপনার কম্পিউটারের ৬ ধরনের কাজ করতে পারবেন। সফট্ওয়ারটির নাম Picasa 3
***সফট্ওয়ারটি দিয়ে আপনি যে যে কাজ করতে পারবেন***
  • পিকচার রিভিউ
  • পিকচার ইডিটিং
  • পিকচার স্লাইড শো
  • ভিডিও প্লে
  • ভিডিও ইডিটিং
  • পিকচার ও ভিডিও শেয়ারিং
  • আরও বেশ কিছু
  • প্রথমে সফট্ওয়ারটি এখান থেকে ডাউনলোড করে নিনএখন রার ফাইলটি ওপেন করুন এবং নরমাল ভাবে ইন্সটল করুন
    সফট্ওয়ারটি ওপেন করে একটু ওয়েট করুন কেননা আপনার কম্পিউটারের যে কোন জায়গায় ভিডিও ফাইল বা পিকচার থাকুক না কেন এই সফট্ওয়ারটি অটোমেটিক তা খুজে নেবে ।

    তো আজ এই পর্যন্তই , আপনারা ভাল থাকেন সুস্থ থাকেন এই কামনা করি , আর সফটওয়্যারটি অবশই ব্যবহার করে দেখবেন এবং কেমন লাগলো জানাতে বুলবেন না যেন ।mY facebook LinK

পিসির আলো থেকে চোখকে রক্ষা করুন

googleb74d12566e23c282
আসসালামু আলাইকুম । সবাই কে অনেক অনেক ভালোবাসা জানিয়ে আজকের টিপস শুরু করছি আশা করি করছি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের সাথে খুব প্রয়োজনীয় Awesome একটি সফটওয়্যার  শেয়ার করছি । আশা করি সবার কাছে ভালো লাগবে ,  নাম FlF.lux fixes  আমারা অনেকেই অনেক সময় ধরে পিসি তে থাকি তবে এই মনিটর এর
আলো  চোখের অনেক ক্ষতি সাধন করে থাকে ,
এই পিসির কারনে অনেকের চোখে অনেক ক্ষতি সাধন হয়েছে । এখন তারা সবাই চশমা ব্যাবহার করে থাকে । যারা ফ্রিল্যান্সিং , ওয়েব ডিজাইন নিয়ে কাজ করছেন তাঁদের চোখে সমস্যা বেশি হচ্ছে । তবে যাই হক এই সফটওয়্যারটির মাধ্যমে আপনি মনিটর এর কালার Control করতে পারবেন ,  খুব সূর্যের আলোতে ও রাতের আঁধারে মনিটর এর কালার Control করতে পারবেন । এতে করে আপনার চোখের সুরক্ষা হবে ।
Simple to use
অনেক বলছি emot slices 49 সবাই সংগ্রহে রাখুন CCleaner এর নতুন ভার্শন Business Editionn (2012) এখন ডাউনলোড করুন
ifacuh 2 সবাই সংগ্রহে রাখুন CCleaner এর নতুন ভার্শন Business Editionn (2012)
by

Friendsblog.net

18561 সবাই সংগ্রহে রাখুন CCleaner এর নতুন ভার্শন Business Editionn (2012)
ভালো থাকবেন আবার দেখা হবে emot slices 33 সবাই সংগ্রহে রাখুন CCleaner এর নতুন ভার্শন Business Editionn (2012) এনি প্রবলেম হলে আমার ফেসবুকের চেম্বারে দেখা করুন ২৪ ঘণ্টা ওপেন emot slices 25 সবাই সংগ্রহে রাখুন CCleaner এর নতুন ভার্শন Business Editionn (2012)
আমার ফেসবুক লিংক ভালো থাকবেন সবসময় ।
আবার দেখা হবে অন্য কোন টিপস নিয়ে emot slices 49 সবাই সংগ্রহে রাখুন CCleaner এর নতুন ভার্শন Business Editionn (2012)
24259 সবাই সংগ্রহে রাখুন CCleaner এর নতুন ভার্শন Business Editionn (2012)

কি-বোর্ড দিয়ে কম্পিউটার চালু

googleb74d12566e23c282
আমরা CPU এর পাওয়ার বাটন দিয়ে কম্পিউটার চালু করি। কিন্তু অনেক সময় পাওয়ার বাটন নষ্ট হলে কম্পিউটার চালু করতে সমস্যা হয়। ইচ্ছা করলে CPU এর পাওয়ার বাটন না চেপে কি-বোর্ডের সাহায্যে কম্পিউটার চালু করতে পারি। এর জন্য প্রথমে কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় Del বাটন চেপে BIOS এর প্রবেশ করতে হবে। তারপর Power Management Setup নির্বাচন করে Enter প্রেস করে Power on my keyboard নির্বাচন করে Enter দিতে হবে। Password নির্বাচন করে Enter দিন। Enter Password এ কোন একটি কি পাসওয়ার্ড হিসাবে দিয়ে সেভ করে বের হতে হবে। এখন কি-বোর্ড থেকে সেই পাসওয়ার্ড কি চেপে কম্পিউটার চালু করা যাবে। পদ্ধতিটি গিগাবাইট মাদারবোর্ড এর জন্য প্রযোজ্য হলেও অন্যান্য মাদারবোর্ডেও এই পদ্ধতিটি পাওয়া যাবে।

আপনার হার্ডডিস্ক কেমন আছে জেনে নিন

googleb74d12566e23c282
কম্পিউটারের যাবতীয় সব কিছু থাকে হার্ডডিস্কে। সেই হার্ডডিস্কে যদি ব্যাড সেক্টর পড়ে বা অন্য কোনো ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় তাহলে হারাতে পারেন আপনার প্রয়োজনীয় অনেক কিছু। এই জন্য হার্ডডিস্কের কি অবস্থা তা জানা জরুরি। হার্ডডিস্কের অবস্থা জানার জন্য আমি আজকে আপনাদের সাথে একটি  সফটয়্যার শেয়ার করছি।
সফটয়্যারটির সাথে একটি ইউজার গাইডও ডাউনলোড করতে পারবেন।
ডাউনলোড লিঙ্ক
সফটয়্যারটি ইন্সটল করুন। ওপেন করার পর এমন দেখাবে


এখান থেকে আপনি Basic info, SMART info, Temperature Graph, Scan disk, Even log ইত্যাদি ক্লিক করে আপনার হার্ডডিস্কের যাবতীয় তথ্য জানতে পারবেন। হার্ডডিস্কের সিরিয়াল নম্বর, মডেল নম্বর, ধারণ ক্ষমতা, সিলিন্ডার সব কিছু জানতে পারবেন। হার্ডডিস্কে কোনো ব্যাড সেক্টর আছে কি না, হার্ডডিস্কের তাপমাত্রাই বা কত (!) তাও জানতে পারবেন। কোন সময় কত তাপমাত্রা ছিলো তাও জানতে পারবেন Temperature Graph এর মাধ্যমে।
আরো অনেক কিছু জানতে তো ইউজার গাইড আছেই। তো সফটয়্যারটি ডাউনলোড করে জেনে নিন আপনার কম্পিউটারের হার্ডডিস্কের অবস্থা।
ভালো লাগলে অবশ্যই জানাবেন। আর ভালো থাকবেন সবসময়। আবার দেখা হবে……………………

Comodo System*** Utilities দিয়ে সহজে আপনার সিস্টেম কে স্পিডি করতে পারেন !

googleb74d12566e23c282

সবাই কে সালাম এবং  শুভেচ্ছা, কেমন আছেন সবাই,আশা করি ভালো,আর ভালো থাকেন এবং নিয়মিত ব্লগে ভিজিট করুন,এই কামনা করি । আজকে যেই পোস্ট টা শেয়ার করতে যাচ্ছিঃ
► কিভাবে Comodo System Utilities দিয়ে সহজে আপনার সিস্টেম কে স্পিডি করতে পারেন ।
১ম -এ দেখে  নিন কি কি কাজ করতে সক্ষমঃ
→ Deep cleaning of your PC’s registry
Deep cleaning of your PC’s disk drive
Clean-up scheduling
SafeDelete and Registry Protection.
Privacy cleaning.
এছাড়া আরো জানতে  পাবেন, Comodo System Utilities অফিসিয়াল সাইট থেকে ।
Includes advanced features :
  • Registry protection
  • Safe delete
  • Instant scan
  • Real time cleaning
System Requirements:
All Microsoft Operating system .
· 32 MB RAM
· 20 MB Hard Disk Space
সাইজ শুধু মাত্র ১২ এমবি
[ ডাউনলোড জোন ~ D O W N L O A D Z O N E ]
পোর্টেবল ভার্সনঃ ৩২ বিট এর জন্য   এবং  ৬৪ বিট এর জন্য 

নোটঃ পিসি তে এক বা একধিক এই ধরনের সফটওয়্যার ইউজ করবেন না ।

তাহলে আজ আর নয়, সবাই ভালো থাকবেন,আল্লাহ হাফেয ।

মঙ্গলবার, ১০ জুলাই, ২০১২

ড্রাইভারের সিডি ছাড়াই পিসির ড্রাইভার গুলো ইন্সটল,ব্যাকআপ,আপডেট করুন

googleb74d12566e23c282
আশা করি সবাই ভালই আছেন।। আপনার পুরনো ড্রাইভার গুলো মাঝে মধ্যে ঝামেলা করে থাকে যার জন্য আপনাকে বেশ বিপদে পড়তে হয়।  মাঝে মধ্যে ড্রাইভার ক্রাস ও করে। Driver Genius Professional 11 দিয়ে আপনি কোন ঝামেলা বাদেই আপনার
ড্রাইভার গুলো ইন্সটল ও আপডেট করতে পারবেন।
আশা করি অনেকে Driver Genius Professional এর আগের ভার্সন গুলো ইউজ করেছেন। আর যারা করেননি, তাদের জন্য একটু বিস্তারিত দিচ্ছি।
Driver Genius Professional 11 মূলত একটি ড্রাইভার ম্যানেজমেন্ট টুল, যেটি দিয়ে আপনি ড্রাইভার ইন্সটল , আপডেট বা ব্যাকআপ করে রাখতে পারবেন।

Driver Genius এর ফিচার সমূহওঃ
১. সিডি ছাড়াই যেকোনো ড্রাইভার ইন্সটল করতে পারবেন। পিসি সেট আপ দেয়ার পরে শুধু সফটওয়্যারটি তে ক্লিক করে আপনার ড্রাইভার গুলো ঝামেলা ছাড়াই ইন্সটল করতে পারবেন।
২. ড্রাইভারগুলোর ব্যাক আপ রাখতে পারবেন।
৩. Driver Genius Pro 11 এর ডাটাবেসে ৬০০০০ টিরও বেশি মাদারবোর্ড, সাউন্ড কার্ড, LAN কার্ড (নেটওয়ার্ক কার্ড), ভিডিও কার্ড, মডেম, মাউস, কীবোর্ড, স্ক্যানার, প্রিন্টার ইত্যাদির ইনফো রয়েছে। যার
মাধ্যমে আরও দ্রুত যেকোনো ড্রাইভার ইন্সটল করা যায়।
৪. আপনার ড্রাইভার গুলো আপডেট করতে পারবেন।
৫. Driver Genius Pro 11 দিয়ে আপনার পুরনো ড্রাইভার গুলো Uninstall করতে পারবেন।
Driver Genius Pro 11 তে নতুন ফিচার গুলোঃ
১. সব নতুন ড্রাইভার গুলো ডাউনলোড করতে পারবেন। সাথে ড্রাইভার অটো আপডেটের অপশন।
২. ড্রাইভার এর ফিচার গুলো স্ক্যানের সময় প্রিভিউ ট্যাব সো করবে।
৩. ড্রাইভার ম্যানেজার দিয়ে আপনি ড্রাইভার গুলোর সকল ইনফো জানতে পারবেন। যেমনঃ ব্যাটারির চার্জ , বা অন্য কোন সেন্সর ড্রাইভ এর কন্ডিশন।
৪. হার্ডওয়্যার এর পারফর্মেন্স ৩০% পর্যন্ত দ্রুত করতে পারে।
৫. সফটওয়্যার গুলো লোডিং টাইম ৫০% পর্যন্ত দ্রুত করতে পারে।
এখন ভেবে দেখুন, ডাউনলোড করলে লাভ হবে না ক্ষতি হবে আপনার?? Driver Genius Professional 11 এর ফুল ভার্সন নিয়ে নিন এখনই।
ডাউনলোড লিংকঃ

ক্রাক ডাউনলোড লিংকঃ



Download বা Download All এ ক্লিক করে ড্রাইভ গুলো ডাউনলোড করা শুরু করুন।

ডাউনলোড শেষ হলে Install এ ক্লিক করে ড্রাইভার গুলো ইন্সটল করে নিন। (ছবিটি আমার পিসি থেকে নেয়া। যাদের প্রব্লেম হচ্ছে তাদের জন্য।)

আপনাদের সকলকে অনেক ধন্যবাদ সময় নিয়ে টিপসটি পড়বার জন্য। ভুলত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন।
ভাল থাকুন আর ভাল রাখুন আপনার কাছের মানুষটিকে।। 
www